আন্তর্জাতিক খেলাধুলা

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন যে ফুটবলার

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে খলতে আসা এক বিদেশী ফূটবল খেলোয়ারের সাথে। এতদিন বুক চিতিয়ে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ সামলেছেন। এবার নিজের রক্ষণ সামলাতে ব্যর্থ লাল-হলুদের সদ্য প্রাক্তন ডিফেন্ডার এডুয়ার্ডো ফেরেরা।
শুক্রবার রাতে সশস্ত্র চার দুষ্কৃতী এডুর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে দুটো মোবাইল ফোন, গাড়ি এবং টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়। ঘটনাটির সময়ে এডুর সঙ্গে ছিল দু’ হাজার ইউরো। সেই সময়ে গাড়িতে এডুর সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী এবং ভাই।
ঘটনার আকস্মিকতায় বিহ্বল হয়ে যান ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ডিফেন্ডার। দুষ্কৃতীরা এডুর দুটো মোবাইল হাতিয়ে নেওয়ার ফলে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছিল না এডুর সঙ্গে। মঙ্গলবার দীঘল চেহারার ডিফেন্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এডু বলেন, ‘‘এখন আমি ভাল আছি। শুক্রবার রাতে ঘটনাটা ঘটে। সেই ঘটনা আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে।’’ পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন এডু।

দুষ্কৃতীদের হাতে এডু আক্রান্ত এই খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শঙ্কিত হয়ে পড়েন লাল-হলুদের ফিজিক্যাল ট্রেনার গার্সিয়া। ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে যাওয়া ডুডু ওমাগবেমিও খবর শুনে জানতে চান কীভাবে হল এমন ঘটনা।

রিওর ফাভেলাগুলো অপরাধীদের আখড়া। ফাভেলার কাছাকাছি বাংলা শব্দ হল ‘বস্তি’। যদিও বস্তি বলতে আমরা যা বুঝি, ফাভেলা তেমন নয়। পাহাড়ের গায়ে গায়ে উঠে যাওয়া ছোট ছোট ঘর, যার সবই পাকা দালান। পাহাড়ের যত ওপরে ঘর, ততই সস্তা। রিও নিয়ে একটা কথা প্রচলিত রয়েছে। রিও শহরে যাঁরা সবচেয়ে গরিব, তাঁরা থাকেন সবচেয়ে উপরে। যাঁর যত টাকা, তিনি থাকেন তত নীচে। নীচে মানে সমুদ্রসৈকতের কাছে। ফাভেলার কাছে ট্যাক্সি বা গাড়ি থামলেই বিপদ। তখনই হামলা শুরু করে দুষ্কৃতীরা। নিশানা বানায় নিরীহ মানুষকে। তাঁদের সর্বস্ব লুটে নেয়।