খেলাধুলা

মাশরাফি ভাই দলে না থাকলে তখন বাংলাদেশের কি হবে?

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সর্বকালের সেরা পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজা। মোস্তাফিজুর রহমান-তাসকিন আহমেদদের উত্থানে পেস বোলিংয়ে নতুন এক যুগ দেখেছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ইনজুরি আর অফ ফর্মে আবারো পেসারদের দৈন্য দশাই চলছে। তবে এর মাঝে ধারাবাহিকভাবে নিয়মিত দারুণ পারফর্ম করে চলেছেন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। তবে ক্যারিয়ারের প্রায় শেষ সময়ে উপস্থিত মাশরাফী। তাই তার অবসরের পর এ টাইগারদের পেস বোলিং লাইন আপ নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। তা নিয়ে শঙ্কিত পেসার আবুল হাসান রাজুও।

আগামী বছর ইংল্যান্ডে হবে বিশ্বকাপ। সাফল্য পেতে পেসারদের ফর্মে ফেরার বিকল্প নেই। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পেসারদের ফর্ম নিয়ে দুশ্চিন্তা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে নতুন বলে মাশরাফী ছাড়া আর কেউ ভালো করতে পারছেন না। তাই তার বিদায়ের পর কি হবে ভেবে আতঙ্কিত হচ্ছেন রাজুও, ‘মাশরাফি ভাই তো ভালোই খেলে যাচ্ছেন। জানি না মাশরাফি ভাই ছাড়ার পর কি হবে! আমি আমার সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করছি ওই জায়গাটা পূরণ করার জন্য। তাই বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা। দেখি আল্লাহ কি করেন।’

বাংলাদেশ দলের বেশ সম্ভাবনা নিয়েই এসেছিলেন রাজু। তবে বল হাতে যতটা আলো ছড়িয়েছেন, ব্যাট হাতে তার চেয়ে বেশি। টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ৭টি ওয়ানডে খেলেও উইকেটের দেখা পাননি। তাই জাতীয় দলে আসা যাওয়ার মধ্যেই আছেন।

তবে সামনে সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয় ঝরে তার কণ্ঠে, ‘জাতীয় দলে খেলা সবার লক্ষ্য ও স্বপ্ন থাকে। কিন্তু জানি না ওই জায়গাটায় খেলা কেন হচ্ছে না। আমি আমার কাজটা করে যাচ্ছি। টি-টুয়েন্টিতে জাতীয় দলে এখনও খেলা হয়নি। ইনজুরির আগে খেলেছিলাম। যদি আবার সুযোগ পাই আমার সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করবো।’

এদিকে আফগানিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরকে সামনে রেখে চলছে টাইগারদের প্রস্তুতি ক্যাম্প। পবিত্র রমজান মাসেও বিরতি নেই। কষ্ট হলেও লক্ষ্য পূরণ করতে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন রাজু, ‘রমজান মাসে একটু কষ্ট হবে আমাদের। রোজা রেখেই সে কাজগুলো আমাদের করতে হবে। চাম্পাকার সঙ্গে এর আগেও আমি কাজ করেছি। ২০১২ সালে কাজ করেছি। জাতীয় দলেও করেছি। এবার হয়তো ভিন্ন কিছু নিয়ে আসবেন তিনি। দেখি কি হয়! ’