খেলাধুলা

আইপিএলে শেষ হাসি কার?

মহেন্দ্র সিংহ ধোনি এবং রশিদ খান। দুই ক্রিকেট প্রজন্মের দুই মুখের লড়াই এ বারের আইপিএল ফাইনালের বড় বক্স অফিস হতে চলেছে। রবিবার, ওয়াংখেড়েতে এই দুই ক্রিকেট তারকার দ্বৈরথই হয়তো বা ঠিক করে দেবে কোন দলের হাতে ট্রফি উঠবে— সানরাইজার্স হায়দরাবাদ না চেন্নাই সুপার কিংস।

দু’বছর নির্বাসনে থাকার পরে আইপিএলে প্রত্যাবর্তন ঘটেছে চেন্নাইয়ের। ফর্মে থাকা ধোনির হাত ধরে উঠেছে ফাইনালেও। আর খেলা হবে সেই ওয়াংখেড়েতে, যেখানে বছর সাতেক আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফাইনালে ছয় মেরে দেশকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন ধোনি।

দু’বছর পরে সিএসকের জার্সি গায়ে আইপিএল খেলতে নেমে তিনি যে কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন, তা স্বীকার করে নিচ্ছেন ‘ক্যাপ্টেন কুল’।

সিএসকে সমর্থকদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে রশিদের লেগস্পিন। রশিদের বোলিংয়ের প্রশংসা করেছেন শচীন টেন্ডুলোর এবং শেন ওয়ার্নের মতো কিংবদন্তিরাও। শচীন টুইট করেন, ‘সব সময়ই মনে হয়েছে, রশিদ বেশ ভাল স্পিনার। কিন্তু এখন বলব, এই ফর্ম্যাটে রশিদই সেরা।’

ওয়ার্ন লিখেছেন, ‘আইপিএলে বিভিন্ন লেগস্পিনারকে দেখতে খুব ভাল লাগছে। তবে রশিদকে বল করতে দেখে গর্ব বোধ করছি।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় রশিদকে যে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবি উঠেছে, তা কানে গিয়েছে আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানিরও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে তিনি টুইট করেন, ‘রশিদ খান আফগানিস্তানের গর্ব। ক্রিকেট দুনিয়ার সম্পদ। না, আমরা রশিদকে দেব না।’