খেলাধুলা

আফগানিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াস হয়ে ষোল কলা পূর্ণ করলো বাংলাদেশ

১৪৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ১৬ রানের মাথায় তামিম ইকবালের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তামিম করেন ৬ বলে ৫ রান। এরপরে সৌম্য সরকার ১৫ এবং লিটন কুমার দাস ১২ রানে রান আউট হলে আরও বেশি চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

দলকে বিপর্যয়ের মুখে রেখে ১০ রানে আউট হন সাকিব আল হাসান। এরপরেই মুসফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাটে ঘুরে দাড়ায় বাংলাদেশ। শেষ ১২ বলে ৩০ রান প্রয়জন হলে করিম জানাতের ৫ বলে ৫ চার মেরে খেলা জমিয়ে দেন মুসফিক। শেষ ওভারে ৯ রান প্রয়জন হলে রাশিদ খানের প্রথম বলেই অাউট হন মুসফিক। ৩৭ বরে ৪৬ রানে অাউট হন মুসফিক। শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়জন হয় ৪ রানে। ব্যাটে অারিফুল হক বোলিংয়ে রাশিদ খান। ২ রান নিলে ১ রানে জয় পায় অাফগানিস্থান। যদি অারিফুল বলটি ছক্কা মারতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সিমানাকে থেকে লাফিয়ে ছক্কা রক্ষা করেন ওসমান গনি।

টসে জিতে শুরুতে ব্যাটিং করে আফগানিস্তান। বাংলাদেশের বোলাররা মোটামুটি খারাপ না করলেও উদ্বোধনী জুটিতে ৫৫ রান তুলে ফেলেন উসমান গনি আর মোহাম্মদ শাহজাদ। বল খরচ করেন ৪৬টি। শাহজাদকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে এই জুটিটি ভাঙেন স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু। আফগান উইকেটরক্ষক ২২ বলে করেন ২৬ রান। এরপর ১৯ রান করা গনিকেও খুব দ্রুত তুলে নেন আবু জায়েদ রাহি।

তৃতীয় উইকেটে আসঘর স্ট্যানিকজাই আর সামিউল্লাহ শেনওয়ারি আবারও রান বাড়ানোর চেষ্টায়। এবার আঘাত পার্টটাইমার আরিফুল হকের। ১৭ বলে ২৭ রান করা স্ট্যানিকজাইকে বদলি ফিল্ডার সাব্বির রহমানের ক্যাচ বানান এই পেসার। আবু জায়েদের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাত্র ৩ রান করেই ফিরেন আগের ম্যাচে আফগানদের জয়ের অন্যতম নায়ক মোহাম্মদ নবী।

এরপর ১৬ বলে ১৫ রান করা নাজিবুল্লাহ জাদরানকে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ বানান সাকিব। শেষ ওভারে এসে ৪ রান করে নাজমুল অপুর ঘূর্ণিতে কাবু শফিকুল্লাহ শফিক। তবে দলকে লড়াকু পুঁজি এনে দিতে একটা প্রান্ত ধরে রেখেছিলেন সামিউল্লাহ শেনওয়ারি। ২৮ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।

বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন আবু জায়েদ রাহি এবং নাজমুল ইসলাম অপু।