খেলাধুলা

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সিরিজ সেরা বোলার সাইফুদ্দিন

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশের সামনে টার্গেট ছিল পাহাড় সমান। কিন্তু সেই পাহাড় সমান টার্গেট কে জয় করলো বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আজ টসে হেরে প্রথমে বোলিংয়ে নেমে শুরুতেই দলীয় ১৭ রানের মাথায় স্টুয়ার্ট থম্পসনকে ১২ রানে আউট করেন সাইফুদ্দিন।

দলীয় ৩৭ রানের মাথায় ব্যাটসম্যান ডেভিড ডেলয়ি কে আউট করেন শরিফুল ইসলাম। ঠিক ৫ রান পরেই আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বেলবিনিকে ১ রানে আউট করেন সাইফুদ্দিন। তবে এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় আয়ারল্যান্ড। অভিজ্ঞ উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড এবং সিমি সিংয়ের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বিপদ কাটিয়ে ওঠে আয়ারল্যান্ড।

মাত্র ২৯ বলেই তুলে নেন উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড। ৩৯ বলে ১২ চার এবং ২ ছয়ে ৭৮ রান করে থামেন তিনি। সাইফুদ্দিন তৃতীয় উইকেট তুলে নেন। গেইটকেটকে অাউট করে চতুর্থ উইকেট তুলে নেন সাইফুদ্দিন। শেষ পয়ন্ত সিমি সিংয়ের ৬৭ রানে নির্ধারিত ১৮ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৩ রান সংগ্রহ করে অায়ারল্যান্ড।

১৮৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুন করে দুই ওপেনার সৌম্য এবং মিঠুন। ২৩ বলে ৪ ছয় এবং ৪ চারে ফিফটি তুলে নেন মোহাম্মদ মিঠুন। ৮ ওভারেই দুই ওপেনার ১০২ রান যোগ করেন। দলীয় ১১৭ রানের মাথায় ৩০ বলে ২ টি চার এবং ৪ ছক্কায় ৪৭ রানে অাউট হন সৌম্য।

ব্যাটিংয়ে এসে স্থায়ই হতে পারেনি শান্ত। ৪ বলে ৬ রান করে অাউট হন তিনি। এরপরেই ৮০ রান করে অাউট হন মিঠুন। ৩৯ বলে ৭ টা চার এবং ৬ টা ছক্কা হাকান তিনি। ১ ছয় এবং ১ চারে ৯ বলে ১৩ রান রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন জাকির হাসান। শেষের দিকে আল আমিন এর ঝড় ৬ উইকেটে রানে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ দল। তবে এই সিরিজ জয়ের অন্যতম নায়ক অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

অনেকদিন ধরে বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার বিকল্প খুঁজছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তবে এখনও পর্যন্ত তার বিকল্প খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ দল। মাশরাফি বিন মর্তুজা ওভার হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। কিন্তু মাশরাফি বিন মর্তুজা বিকল্প হতে পারেন তরুণ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ এ’ দলের হয়ে আয়ারল্যান্ড সফর করছেন। ওয়ানডে সিরিজের পর এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন তিনি। তিন ম্যাচে তুলে নিয়েছেন ৯ টি উইকেট। প্রথম ম্যাচে ৪ ওভার বোলিং করে ২১ রানে দুটি উইকেট লাভ করেন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৩ রানের বিনিময়ে তিনটি উইকেট এবং তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ৪ ওভারে ২৮ রান ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।