ইউরোপীয় ফুটবলের ক্লাব গুলো এখন টিকে আছে ঐতিহ্যের কারণে

Loading...

ইউরোপীয় ফুটবলের ক্লাব গুলো এখন টিকে আছে ঐতিহ্যের কারণে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আধুনিক ফুটবলে অর্থের ঝনঝনানি এতই বেড়েছে যা ইউরোপীয় ফুটবলকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে। অর্থের কাছে এখন যেকোনো ফুটবলাররা পরাজিত হয়ে পড়ে। অনেক সময় এই অর্থের কারণেই প্রিয় ক্লাব ছাড়তেও কোনো খেলোয়াড় একবারও চিন্তা করে না। অনেকেতো আবার খেলার সুযোগ না পেয়েও বছরের পর বছর ডাগ আউটে বসে দিন কাটাচ্ছেন।

এত অর্থকড়ি ব্যয় কিংবা ক্লাবের উন্নয়নের পিছনে যাঁরা আসল কারিগর হিসেবে কাজ করেন তারা হলেন ক্লাবের মালিকরা। কিছু অসাধারণ মানুষের জন্য আজ ইউরোপীয় ফুটবল আরও পরিপূর্ণ। আসুন এখন জেনে নেওয়া যাক এমনই কয়েকজন ধনী ক্লাব মালিকের পরিচিতি যাদের সম্পর্কে কিছু কথা না জানলে অনেক কিছু হয়তো অজানা থেকে যাবে।
ক্লাব: রিয়াল মাদ্রিদ, প্রেসিডেন্ট: ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ

রিয়াল মাদ্রিদের মূল মালিকানা দলের শেয়ারহোল্ডারা। তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থের মাধ্যমেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে ক্লাব ফুটবলে অন্যতম রাজকীয় ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। বর্তমানে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট। তবে তিনিও রিয়াল মাদ্রিদের শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে একজন। তাই তাঁকে মালিক হিসেবেও গণ্য করা যায়। টেনিস তারকা রাফায়েল নাদালও রিয়াল মাদ্রিদের একজন শেয়ারহোল্ডার।
ক্লাব: বার্সেলোনা, প্রেসিডেন্ট: জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ

রিয়াল মাদ্রিদের মত বার্সেলোনাও শেয়ারহোল্ডারদের অর্থেই সচল। কাতালান এ ক্লাবটি স্পেন থেকে আলাদা হয়ে নিজেদের স্বাধীনতা দাবি করছে। অতীত ইতিহাস বলে স্পেনের রাজপরিবারের বর্বরতার কারণে তাদের পছন্দ করতো না কাতালোনিয়ার কেউই। বর্তমান প্রেসিডেন্ট বার্তামেউ নিজেও একজন বার্সেলোনার শেয়ার হোল্ডার।
ক্লাব: বায়ার্ন মিউনিখ, চেয়ারম্যান: কার্ল হেইঞ্জ রুমেনিগে

বর্তমান প্রেসিডেন্ট রুমেনেগ হলেও জার্মানীর ইতিহাসের সেরা এ ক্লাবের মালিক সেই শেয়ারহোল্ডাররা। এক কথায় জার্মানীর ক্লাব ফুটবলকে এক ঘোড়ার রেসে পরিণত করতে কাড়িকাড়ি টাকা-পয়সা যোগান দিচ্ছেন এই শেয়ারহোল্ডাররা। বায়ার্ন মিউনিখের মূল মন্ত্রই হচ্ছে জার্মান খেলোয়াড় খেলানো। তাদের এমনভাবে সুযোগ সুবিধা দেয়া হয় যেন সহজে জার্মান ছেড়ে অন্য ক্লাবের হয়ে খেলতে যেতে না চায়।
ক্লাব: এসি মিলান, মালিক: লি ইয়ংহং

Be the first to comment on "ইউরোপীয় ফুটবলের ক্লাব গুলো এখন টিকে আছে ঐতিহ্যের কারণে"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*