যেখানে অধিনায়ক হিসাবে যেখানে স্মিথ, বিরাট কোহলিকে পিছনে ফেললেন মুশফিকুর রহিম

Loading...

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক। সাকিব আল হাসানের কাছ থেকে ২০১১ সালে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ২০১৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রায় ৩৪ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন মুশফিকুর রহিম। আর এই ৩৪ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে পিছনে ফেলেছেন বিরাট কোহলিকে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ টেস্ট ম্যাচে বৃহস্পতিবার সাউদাম্পটনে চমক দেখিয়েছেন বিরাট কোহলি। অধিনায়ক হিসেবে টেস্টে প্রথমবারের মতো অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছেন তিনি। অর্থাৎ নেতৃত্বের প্রথম ৩৮ টেস্টেই ভিন্ন ভিন্ন একাদশ নিয়ে নেমেছেন। ৩৯তম টেস্টে এসে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামলেন ভারত অধিনায়ক।

এর মধ্যে দিয়ে অধিনায়ক হিসেবে ভিন্ন একাদশ নিয়ে মাঠে নামার তালিকায় দ্বিতীয় স্থান দখল করছেন তিনি। যে তালিকায় তার উপরে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ। তালিকায় বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম অনেকটাই পিছিয়ে।

তবে এক দিক থেকে কোহলি-স্মিথের চেয়েও এগিয়ে মুশফিক। অধিনায়ক হিসেবে তিনি কখনোই অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামেননি। ২০১১ সালে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব পান মুশফিক। ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৩৪ টেস্টে টাইগারদের নেতৃত্ব দেন তিনি।

বিস্ময়কর ভাবে এর একটি ম্যাচেও অভিন্ন একাদশ নিয়ে মাঠে নামেননি মুশফিক। অর্থাৎ দল নিয়ে পরিক্ষা নিরীক্ষায় কারো চেয়ে কোন অংশে কম ছিলেন না বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটার। তার চেয়ে ৪ ম্যাচে বেশি ভিন্ন ভিন্ন একাদশ নিয়ে মাঠে নামলেও এক জায়গায় ঠিকই পিছিয়ে কোহলি। সেটি হচ্ছে মুশফিক তার অধিনায়কত্বে একটি ম্যাচও অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে খেলেননি।

কিন্তু কোহলি কিংবা স্মিথকে কোনা না কোন সময় এসে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে হয়েছে। যা কখনো করেননি মুশফিক। যার ফলে সংখ্যায় এগিয়ে থেকে এই জায়গায় কোহলিদের চেয়ে এগিয়ে তিনি। তবে টানা সবচেয়ে বেশি পরিবর্তীত একাদশ নিয়ে নামার ক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে স্মিথ। টানা ৪৩ টেস্ট ভিন্ন ভিন্ন একাদশ নিয়ে খেলেছেন সাবেক এই প্রোটিয়া অধিনায়ক।