প্রস্তুতির ঘাম ঝড়াচ্ছেন শেরে বাংলার সবুজ ঘাসে

Loading...

আর মাত্র ৯ দিন পর মাঠে গড়াবে এশিয়া কাপ। ১৫ সেপ্টেম্বর আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে এশিয়া অঞ্চলের ব্যাট বলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। সব ঠিক থাকলে ৯ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে বাংলাদেশ জাতীয় দল। ১৫ সদস্যের দলের চূড়ান্ত ঘোষণা হয়ে গেছে।

সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ বিদেশে থাকায় বাকি ১৩ জন ক্রিকেটার নিয়মিত অনুশীলনে ব্যস্ত। প্রস্তুতির ঘাম ঝড়াচ্ছেন শেরে বাংলার সবুজ ঘাসে। সব কিছু ঠিকমত চললেও এশিয়া কাপের জন্য বাংলাদেশ দলের ম্যানেজারের নিয়োগ করা বিসিবির পক্ষে এখনো সম্ভব হয়নি। তবে আজ ম্যানেজার নিােগের বিষয়টি ফয়সালা করবে বিসিবি, এমনটা শোনা যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান কাল রাত পর্যন্ত তা জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, ম্যানেজার কে হবেন, তা চূড়ান্ত হয়নি। আশা করছি বুধবার না হয় বৃহস্পতিবারের মধ্যে ঠিক করা হবে। অন্যদিকে বিসিবিতে জোর গুঞ্জন, গত চার বছরের বেশি সময় ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করা খালেদ মাহমুদ সুজনই সম্ভবত ম্যানেজার হয়ে আরব আমিরাত যাচ্ছেন।

বিসিবির সম্ভাব্য ম্যানেজারের শর্টলিস্টে খালেদ মাহমুদ সুজনের নাম আছে। সূত্র থেকে জানা গেছে, আরেকজনও আছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের পছন্দের তালিকায়। তিনি হলেন বিসিবি পরিচালক ও অন্যতম শীর্ষ পরিচালক জালাল ইউনুস। সম্প্রতি অনানুষ্ঠানিকি এক বৈঠকে এশিয়া কাপের ম্যানেজার নিয়ে কথা হয়। তাতে ম্যানেজার হিসেবে খালেদ মাহমুদ সুজন আর জালাল ইউনুসের নাম উঠে আসে।

এ ব্যাপরে জালাল ইউনুস বলেছেন, তার পক্ষে হয়তো ম্যানেজারের গুরু দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নাও হতে পারে। কারণ ওই সময় তার ব্যক্তিগত ও পারবারিক ব্যস্ততা আছে। ম্যানেজার হয়ে যাওয়া মানে প্রায় তিন সপ্তাহের জন্য জাতীয় দলের সাথে ব্যস্ত হয়ে থাকা। জালাল ইউনুস মুখ ফুটে না বললেও ভেতরের খবর, আগামী দুই মাস পর তার মেয়ের বিয়ে। খুব স্বাভাবিকভাবেই তার পক্ষে সামনের দিনগুলোয় দেশের বাইরে থাকা কঠিন।

এ অবস্থায় মনে হচ্ছে, এশিয়া কাপে তাকে আবার পুরনো পরিচয়ে দেখা যেতে পারে। মানে, আরব আমিরাতে এশীয় ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠত্বের আসরে হয়ত জাতীয় দলের এই সাবেক অধিনায়কই ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকবেন। খালেদ মাহমুদ সুজন ম্যানেজার হয়ে যাবেন কি যাবেন না, তা পরিষ্কার জানা যায়নি। কারণ ব্যক্তিগত জীবন ও কাজের জন্য এখন ব্যস্ত রয়েছেন তিনিও। যে কারণে বোর্ডেও আগের চেয়ে কম দেখা যায় তাকে। কাজেই শেষ পর্যন্ত সুজন ম্যানেজার হতে রাজি হবেন কি না, তা নিয়েও আছে সংশয়।