শাহরিয়ার আমান দেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির ছোট ভাই

Loading...

বিনোদন ডেস্ক : নেত্রকোনায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে শাহরিয়ার আমান সানি নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শাহরিয়ার আমান দেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির ছোট ভাই।

গত বৃহস্পতিবার রাতে শাহরিয়ারের স্ত্রী সামিউন্নাহার শানু তার স্বামীসহ ন্যান্সি ও ন্যান্সির স্বামী নাদিমুজ্জামান যায়েদের নামে নেত্রকোনা মডেল থানায় নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

মামলায় তাকে ও তার স্বামীকে জড়ানোটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দেশের জনপ্রিয় গায়িকা ন্যান্সি।

বিষয়টি নিয়ে ন্যান্সির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘‌আমি খুবই অবাক হয়েছি, এই মামলায় আমার নাম দেখে। শুধু আমাকে না, সঙ্গে আমার স্বামীকেও জড়ানো হয়েছে। এর কোনো কারণই নেই। সম্পূর্ণই উদ্দেশ্যমূলকভাবেই আমাদের নাম এই মামলায় জড়ানো হল। আমার সুনাম নষ্ট করতেই এমনটা করছে তারা। এই মামলার কোন অভিযোগের সঙ্গেই আমাদের সম্পৃক্ততা নেই।’

ন্যান্সি আরও বলেন, ‘স্ত্রী আমার ভাইয়ের, সংসারও তার। তারা থাকে নেত্রকোণায় আর স্বামী সংসার নিয়ে আমি থাকি ঢাকা-ময়মনসিংহে। সংসার-গান নিয়ে নিজের মতো ব্যস্ত থাকি। আমার ভাইয়ের সংসারের ব্যাপারে খুব একটা কিছু আমি জানতাম না। কারণ, অন্যের কিছুতে নাক গলানোর স্বভাব আমার নেই। মিডিয়াতে যারা আমাকে চেনেন তারা সেটা খুব ভালো করেই জানেন। আমার ভাই ও তার স্ত্রী প্রেম করে বিয়ে করেছিল। তাদের মধ্যে এমন সমস্যা আমি কী করে জানবো। কেউই আমাকে কখনো কিছু বলেনি।’

যখন তালাক হয়ে গেল তখন সে দাবি করছে নির্যাতনের উল্লেখ করে ন্যান্সি বলেন, ‘আমি কেবল জেনেছি গত ২৭ আগস্ট সানি তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। এই তালাকের কাগজ এরই মধ্যে শানুর হাতেও পৌঁছেছে। স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ব্যাপারে আমার সঙ্গে সানি কোনো আলোচনা বা পরামর্শ করেনি। শানুও আমাকে কিছু জানায়নি। ও কখনো বলেনি যে ওর উপর সানি নির্যাতন করছে। তেমন কোনো আভাসও দেয়নি। ওরা ওদের মতো সংসার করেছে। যখন তালাক হয়ে গেল তখন সে দাবি করছে নির্যাতনের।’

উল্লেখ্য, এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন খান বলেন, ‘গ্রেফতার হওয়া আসামিকে আজ শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে আদালতে পাঠানো হবে। মামলার অপর দুই আসামিকে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।’