এশিয়া কাপের আজব কিছু রেকর্ড

India’s Virat Kohli, right, plays a shot, as Bangladesh’s wicketkeeper Mushfiqur Rahim jumps during the Asia Cup Twenty20 international cricket final match between them in Dhaka, Bangladesh, Sunday, March 6, 2016. India won by 8 wickets in the rain hit final to lift their 6th Asia Cup title. (AP Photo/ A.M. Ahad)
Loading...

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বসতে যাচ্ছে এশিয়াক কাপ ক্রিকেট। ১৯৮৪ সালে প্রথম এশিয়া কাপ হয়েছিল সেখানে। প্রতিবার ৫০ ওভারের ম্যাচ হলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২০১৬ সালে বাংলাদেশে হয়েছিল ২০ ওভারের ম্যাচ। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সেটিকে সামনে রেখে এবার এশিয়া কাপ ফিরেছে ৫০ ওভারের ফরম্যাটে। ওডিআই ফরম্যাচে সর্বোচ্চ পাঁচবার করে শিরোপা জিতেছে ভারত এবং শ্রীলঙ্কা। আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যে একবার খেলা হয়েছিল তাতে শিরোপা জিতেছে ভারত।

দেখে নেওয়া যাক এশিয়া কাপের কিছু অবাক করা রেকর্ড:

ফাইনাল ছাড়া এশিয়া কাপ:
প্রথমবার অনুষ্ঠিত শারজায় এশিয়া কাপের কোনো ফাইনাল ম্যাচ হয়নি। সেবার অংশ নিয়েছিল ভারত, পাকিস্তান আর শ্রীলঙ্কা। তিনটি ম্যাচই হয়েছিল প্রথম এশিয়া কাপে। ভারত হারিয়েছিল পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কাকে। ফলে, পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শিরোপা জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া।

‘ডাক’ নেই ভারতীয় ক্রিকেটারদের:
এশিয়া কাপের ইতিহাসে ভারতের কোনো ক্রিকেটার এখনও শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেননি। তবে, সেটা ৫০ ওভারের ফরম্যাটে। টি-টোয়েন্টিতে ‘ডাক’ মেরেছেন ভারতীয়রা (আজিঙ্কা রাহানে, হারদিক পান্ডিয়া এবং রোহিত শর্মা)। ওডিআই ফরম্যাটে ‘ডাক’ এর তালিকায় শীর্ষে শ্রীলঙ্কা। সর্বোচ্চ ১৭ বার লঙ্কান ক্রিকেটাররা শূন্য রানেই সাজঘরে ফিরেছেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ১১ বার শূন্য রান করেছিলেন। আর পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা ৯ বার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। সর্বোচ্চ তিনবার করে শূন্য রানে ফিরেছিলেন পাকিস্তানের সালমান বাট, বাংলাদেশের আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং শ্রীলঙ্কান মাহেলা জয়াবর্ধনে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট ধরলে সেখানে সর্বোচ্চ তিনবার শূন্য হাতেই ফিরতে হয়েছিল মাশরাফি বিন মর্তুজাকে।

বোলিং স্ট্রাইকরেটে সেরা শেওয়াগ:
ভারতের ওপেনার বিরেন্দ্রর শেওয়াগকে ধরা হয় বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যান। অথচ এশিয়া কাপের আসরে তার নাম বেস্ট বোলিং স্ট্রাইকরেটে শীর্ষে (সিঙ্গেল ইনিংস)। বাংলাদেশের বিপক্ষে ডাম্বুলায় ২০১০ সালের ১৬ জুন বল হাতে ম্যাজিক দেখিয়েছিলেন তিনি। শেওয়াগের ঘূর্ণিতে বাংলাদেশ গুটিয়ে গিয়েছিল মাত্র ১৬৭ রানে। ২.৫ ওভার বল করে মাত্র ৬ রান খরচ করে শেওয়াগ নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। তাতে ৪.২ বোলিং স্ট্রাইকরেটে শীর্ষে শেওয়াগের নাম।

টেন্ডুলকারের দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুন্য:
এশিয়া কাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তিন নম্বরে ভারতের ব্যাটিং কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার। শীর্ষে শ্রীলঙ্কার মাতারা হ্যারিকেন খ্যাত সনাথ জয়সুরিয়া (১২২০ রান)। আর দুইয়ে আরেক লঙ্কান গ্রেট কুমার সাঙ্গাকারা (১০৭৫ রান)। শচীন করেছিলেন ৯৭১ রান। শুধু ব্যাট হাতেই নয় শচীন এশিয়া কাপে জাদু দেখিয়েছিলেন বল হাতেও। ২৩ ম্যাচ খেলে নিয়েছিলেন ১৭ উইকেট। কপিল দেব (১৫ উইকেট), অনিল কুম্বলেরাও (১৪ উইকেট) উইকেট শিকারের দিক থেকে শচীনের পিছনে।