এশিয়া কাপে দুই ফাইনাল দিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

Loading...

স্পোর্টস ডেস্ক : যা বড় অনুপ্রেরণা সেটা হলো এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সেরা সাফল্য দুইবার রানার্সআপ হওয়া। প্রথমবার পাকিস্তান, পরেরটি ভারতের কাছে হেরে হাতছোঁয়া দূরত্বে থেকে সেই শিরোপার নাগাল পায়নি তারা। কিন্তু ওই দুই ফাইনালকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে রবিবার দেশ ছাড়লেন মাশরাফি মুর্তজারা। এশিয়া কাপে দুই ফাইনাল দিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। 

দলের সঙ্গে দুবাইয়ের বিমানে ওঠার আগে অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ২০১২ ও ২০১৬ সালের ফাইনাল তাদের অনুপ্রাণিত করছে। দুইবারের ব্যর্থতা এবার কাটিয়ে উঠতে আশাবাদী তারা। তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে কাটানো দুর্দান্ত সময়।

দেশ ছাড়ার আগে বিমানবন্দরে ক্রিকেটাররামাহমুদউল্লাহ দলের প্রত্যেকের কাছে সেরা পারফরম্যান্স পেতে বিশ্বাসী, ‘দল হিসেবে আমরা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস নিয়ে আরব আমিরাতে যাচ্ছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খুব ভালো খেলে আমরা সিরিজ জিতেছি। গত এশিয়া কাপটা আমাদের ভালো গেছে। ২০১২ সালের এশিয়া কাপেও আমরা ফাইনাল খেলেছি। দুই ফাইনালের সুখস্মৃতি ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ভালো খেলার আত্মবিশ্বাস আমাদেরকে এশিয়া কাপে ভালো খেলতে উৎসাহিত করবে। আশা করি নিজেদের সেরাটা খেলে ওখানে ভালো কিছু করব।’

পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে মাহমুদউল্লাহ ব্যাটিং পজিশন ওঠানামা করেছে। এনিয়ে অবশ্য অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের কোনও আক্ষেপ নেই, ‘আমি আসলে দলের জন্য খেলি। দল যখন যেখানে আমাকে খেলাবে, আমি সেখানে খেলতেই প্রস্তুত।’

মুশফিককে বিদায় জানালেন তার বাবাক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের হয়ে ৮ ম্যাচ খেলে এসেছেন মাহমুদউল্লাহ। বেশ কয়েকটি ম্যাচে ভালো খেলার অভিজ্ঞতা এশিয়া কাপে কাজে লাগবে মনে করেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান, ‘যে কোনও জায়গায় ভালো খেলা সবসময় আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। এবারের সিপিএল মোটামুটি ভালো গেছে। চেষ্টা করেছি সুযোগগুলো কাজে লাগানোর।’

বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের দুবাইয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বিশ্বাস মাহমুদউল্লাহর, ‘ওখানে সাকিব-তামিম-মুশফিকসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা ওখানকার কন্ডিশন সম্পর্কে জানি। একটা নির্দিষ্ট দিনে আমরা কতটা ভালো ক্রিকেট খেলছি সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের মনোযোগ সেইদিকেই