এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা পেস বোলিং অ্যাটাক বাংলাদেশের

Loading...

এশিয়া কাপের দুর্দান্ত শুরু করলো বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। শ্রীলংকার বিপক্ষে গতকাল ১৩৭ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজা বাংলাদেশ দল। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে চাপে পড়লেও মুশফিকুর রহিমের ক্যারিয়ার সেরা ১৪৪ রানের উপর ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ২৬২ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ দল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মোস্তাফিজুর রহমান এবং মাশরাফি বিন মুর্তজার বোলিং তোপে পড়ে শ্রীলঙ্কা দল। শ্রীলংকার ৩২ রানের মাথায় তিনটি উইকেট তুলে নেন এই দুই পেস বোলার। দলের প্রয়োজনে এ দিন জ্বলে উঠেছিলেন আরেক পেসার রুবেল হোসেন। বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১২৪ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা দল। শ্রীলংকার দশটি উইকেট এর মধ্যে পাঁচটি উইকেট গিয়েছে পেসারদের দখলে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা পেস বোলিং অ্যাটাক নিয়ে এশিয়া কাপে খেলতে গিয়েছে বাংলাদেশ দল। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা সহ বর্তমান সময়ে দুর্দান্ত ফর্মে হয়েছে জাতীয় দলের দুই পেসার রুবেল হোসেন এবং মোস্তাফিজুর রহমান। ২০১৮ সালের ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দলের সব কয়টি ম্যাচে জয় পিছন বিশেষ অবদান রেখেছেন এই তিন পেসার।

গত কালকের ম্যাচ টি ধরে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে মোট ৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে। এই ৯ ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশ বিপক্ষ দলের ৬৯ টি উইকেট তুলে নিয়েছে। যার মধ্যে সিংহভাগ উইকেট তুলে নিয়েছে পেস বোলাররা। ৫৯ উইকেট এর মধ্যে বাংলাদেশের চার পেস বোলার নিয়েছেন ৪৫ টি উইকেট।

এবং স্পিনাররা নিয়েছেন ২৫ টি উইকেট। পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রুবেল হোসেন ১৫ টি, মাশরাফি বিন মর্তুজা ১৫ টি, মোস্তাফিজুর রহমান ১৪ টি এবং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন একটি উইকেট লাভ করেছেন।

এখানেই শেষ নয় ২০১৮ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বের সেরা পেস বোলিং অ্যাটাক এখন বাংলাদেশের। পরিসংখ্যা বলছে পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত কে পিছনে ফেলে এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা পেস বোলিং অ্যাটাক বাংলাদেশের। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই তিন পেসারের মিলে বোলিং এভারেজ ২০.৯।

যা অন্য দলগুলোর থেকে অনেক কম। দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছে শ্রীলঙ্কা দল। ২০১৮ সালে তাদের পেস বোলিংয়ের এভারেজ ২৪.৬। বিশ্বের সেরা পেস বোলিং লাইনআপ বলা হয় অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে। তারা ও রয়েছে বাংলাদেশের অনেক পরে।

তিন নম্বরে থাকা পাকিস্তান দলের পেস বোলিংয়ের এভারেজ ২৬.৪। এছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩০.০, নিউজিল্যান্ডের ৩২.৫, অস্ট্রেলিয়ার ৩৫.৭, আফগানিস্তানের ৩৬.৩, ইংল্যান্ডের ৩৬.৩, দক্ষিণ আফ্রিকার ৩৯.১, এবং সর্বশেষ ভারতের ৪৯.৯।