Notunshokal.com
খেলাধুলা

এইমাত্র পাওয়াঃ ভারতকে আগেই কাপ দিয়ে দেয়া হয়েছে, খেলা ছিল শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা

এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচে আম্পায়ারদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পর ক্ষুব্ধ ক্রিকেট ভক্তরা। একের পর এক অসামঞ্জস্যতা খুঁজে বের করছেন খেলার প্রত্যেকটি মুহূর্ত থেকে। লিটন দাসের আউট ও জাদেজাকে প্রথমেই আউট না দেয়ার বিষয়টি ছাড়াও তারা একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন।

ম্যাচ শুরুর আগে যখন আম্পায়ার ও খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীতের জন্য সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তখন আম্পায়াররা কেন ভারতীয় খেলোয়াড়দের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন এবং ট্রফিটি কেন মাঝে না রেখে ভারতীয় খেলোয়াড়দের কাছাকাছি রাখা হয়েছিল সেই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।গতকাল লিটন দাস যখন দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন এবং ভারতীয় বোলাররা যখন তাকে আউট করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন তখন আম্পায়ার তাদের সহায়তা করেছেন।

৪১তম ওভারের শেষ বলে (কুলদীপ যাদবের) এগিয়ে মারতে চেয়েছিলেন লিটন। টিভি রিপ্লাইয়ে দেখা গেছে, প্রথম পর্যায়ে পা ঠিক না থাকলেও ধোনি বল স্ট্যাম্পিং করার আগে নিরাপদে পা ছিল লিটন দাসের। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে থার্ড আম্পায়ার লিটন দাসকে আউট ঘোষণা করেন।

এরপর ম্যাচের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে জাদেজার ব্যাট ছুঁয়ে বল মুশফিকের হাতে গেলেও আউট না দেয়া বিষয়টিও সমালোচনার জন্ম দেয়। যদিও হাতে রিভিউ ছিল বলে বাংলাদেশ তা কাজে লাগিয়ে জাদেজাকে সাজঘরে পাঠায়। কিন্তু ব্যাটে লাগার শব্দ সবাই শুনতে পেলেও মাঠের দুই আম্পায়ার কেন শুনতে পেলেন না? নাকি শুনেও না শোনার ভান করেছিলেন- সেটা নিয়েও প্রশ্ন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের।

এত গেল খেলা চলাকালীন সময়কার বিতর্কিত মুহূর্ত। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা খেলা শুরুর আগের একটি মুহূর্ত টেনে বলছেন, কাপ যেভাবেই হোক ভারতকে দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল আগেই।

কারণ ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সংগীতের সময় খেলোয়াড় ও আম্পায়াররা যখন সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িছিলেন তখন আম্পায়াররা ছিলেন ভারতীয় খেলোয়াড়দের পাশে এবং কাপ দুই দলের মাঝে রাখার কথা থাকলেও সেটা ভারতীয় খেলোয়াড়দের দিকে এগিয়ে রাখা হয়। এর মানে ভারতকে আগেই কাপ দিয়ে দেয়া হয়েছে। মাঠের খেলা ছিল শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা।

আরও পড়ুন

হ্যামিল্টন মাসাকাদজা অাউট। জিম্বাবুয়ের তৃতীয় উইকেটের পতন

হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপের মিশন শুরু করলেন মেসি। দেখুন আজকের ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিকের ভিডিও

হ্যাটট্রিক করলো চেলসি

Syed Hasibul