খেলাধুলা

ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরি সামনে দাঁড়িয়ে ওপেনার লিটন কুমার।

ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরি সামনে দাঁড়িয়ে ওপেনার লিটন কুমার। গতকাল দ্বিতীয় দিন শেষে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ২৬৮ রান নিয়ে আজ তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে রাজশাহী বিভাগ। প্রথম দিনে রংপুরকে মাত্র ১৫১ রানে অল আউট করে জবাব দিতে নেমে ব্যাট হাতে বোলারদের শাসন করেছেন রাজশাহীর দুই ওপেনার শান্ত ও মিজানুর। দুজনেই তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি।

দুজনের সামনেই সুযোগ ছিল ইনিংস বড় করে প্রথমবারের মতো ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার। নাজমুল হোসেন শান্ত ১৭৩ মিজানুর রহমান ১৬৫ রানে আউট হলেও এইদিন সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন জুনায়েদ সিদ্দিক। আজ চার উইকেট হারিয়ে ৫৮৯ তাদের নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে রাজশাহী বিভাগ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহি বোলারদের বিপক্ষে অসাধারণ ব্যাটিং করছেন লিটন কুমার। এদের মাত্র ৮১ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন কুমার। অার পরের ২৭ বলে করেন ৫০ রান। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এক উইকেট হারিয়ে ২৮১ রান সংগ্রহ করেছে রংপুর বিভাগ। লিটন দাস ১২৩ বলে ১৭৪ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

এর আগে রাজশাহীতে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) টায়ার-১ এর ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে ৩১১ রান তুলে রংপুরকে ম্যাচ থেকে অনেকটা ছিটকে দিয়েছেন রাজশাহীর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিজানুর রহমান। আরিফুল হকের শিকার হয়ে ফেরার আগে ২২ চারে ১৬৫ রান করেন মিজানুর রহমান।

আর ২৩ চারে ১৭৩ করে মাহমুদুল হাসানের বলে সন্দ্বীপ সাহার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন শান্ত। তবে তাদের বিদায়ের পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে রাজশাহী। জুনায়েদ সিদ্দিকির অপরাজিত ৩৯ রান আর ফরহাদ হোসেনের অপরাজিত ২৬ রানের কল্যাণে ৪১৯ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে দলটি।

অন্যদিকে খুলনায় টায়ার-১ এর ম্যাচে বরিশালের প্রথম ইনিংসে ২৯৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে খুলনা। মাত্র ৮৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে এক পর্যায়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে বসেছিল খুলনা। কিন্তু মোহাম্মদ মিঠুনের ৭২ আর শেষদিকে জিয়াউর রহমানের অপরাজিত ৪৬ রানের ইনিংসে স্বস্তি নিয়ে দিন শেষ করে দলটি।

খুলনার ইনিংসে শুরুতেই আঘাত হানেন পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি। দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস আর আনামুল হককে তুলে নেন তিনি। দুই ব্যাটসম্যানই ৬ করে রান তুলে রাব্বির শিকার হন। এরপর ইনিংস গড়ার চেষ্টারত সৌম্য সরকার (৩৩) আর তুষার ইমরানের (৩১) উইকেট তুলে নিয়ে খুলনাকে জোর ধাক্কা দেন স্পিনার সোহাগ গাজী।

এরপর দলীয় ৮৮ রানে খুলনার নুরুল হাসানকে (৪) তুলে নেন সালমান হোসেন। দিনের শেষ দিকে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৭১ রান করা মিঠুনকে বদলি ফিল্ডার তানভির ইসলামের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান সালমান হোসেন। দিন শেষে ৪ উইকেট হাতে নিয়ে বরিশালের চেয়ে ১০০ রানে পিছিয়ে আছে খুলনা।