Notunshokal.com
খেলাধুলা

শ্রীলঙ্কার পতন এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ভাবনা…

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্নপ্রকাশ করে, ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। এর সাত বছর পর ১৯৮৬ সালের ৩১শে মার্চ ‘এশিয়া কাপ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচটি খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতে এবং এর মাধ্যমে প্রথম বারের মতে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সুযোগ পায়। ২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশ ১০ম টেস্ট খেলুরে দেশ হিসেবে আইসিসির সদস্যপদ লাভ করে। এরপর থেকে বাংলাদেশকে আর পিছনে তাকাতে হয় নি। বিভিন্ন চড়াই,উতরাই পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে,এবং অর্জন করেছে বিভিন্ন সফলতা।

অপরদিকে আমরা একটু এক সময়ের পরাশক্তি শ্রীলঙ্কার দিকে তাকাই। শ্রীলঙ্কার জাতীয় ক্রিকেট দল উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করা শুরু করে,১৯৯০ সালের প্রথম দিকে।১৯৯৬ বিশ্বকাপে তারা প্রথমবারের মত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। তারা পরপর ২০০৭ ও ২০১১ বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলে রানার্সআপ হয়।

সনাথ জয়সুরিয়া,অরবিন্দ ডি সিলভা ব্যাটিংয়ে এবং মুত্তিয়া মুরালিধরণ,চামিন্দা ভাসের বোলিংসহ আরো অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটারগণ শ্রীলংকান দলের গত ১৫ বছরের সফলতার ভিত্তি ছিলো।

জয়সুরিয়া,সিলভারা ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও মাহেলা, সাঙ্গাকারা,দিলশানরা তাদের অভাব বুঝতে দেয় নি কখনোই। বোলিং ডিপার্টমেন্টে তো মালিঙ্গা, কুলাসেকারারা ছিলোই। কিন্তু শ্রীলঙ্কা দলের মাহেলা, দিলশান,সাঙ্গাকারাদের মত প্লেয়াররা অবসর নিলে শ্রীলঙ্কা দল ‘তাসের ঘরের’ মত ভেঙ্গে পড়ে।

ঠিক তেমনি শ্রীলঙ্কা দলের দিকে তাকিয়ে হলেও বিসিবির উচিত হবে পঞ্চপান্ডবের বিদায়ের আগেই তাদের সমপর্যায়ের না হলেও!জুনিয়রদের দিকে একটু বিশেষ নজড়,পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের ব্যাকআপ হিসেবে তৈরী করতে হবে। এবং সেই সাথে ঘরোয়া লিগের মানও উন্নত করতে হবে,যাতে তারা ঘরোয়া লিগে ভাল পারফর্ম করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের তৈরী করতে পারে।

এখন থেকেই যদি বিসিবি এই ধরণের উদ্যোগ না নেয়,তাহলে সময়ের ব্যাবধানে,পঞ্চপান্ডবের বিদায়ের পর বাংলাদেশও একদিন শ্রীলঙ্কার পথেই হাটবে।
লেখা: জাকির হাসান

আরও পড়ুন

হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপের মিশন শুরু করলেন মেসি। দেখুন আজকের ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিকের ভিডিও

হ্যাটট্রিক করলো চেলসি

Syed Hasibul

হোটেলে সমর্থকের সঙ্গে আসলে কী হয়েছিল সাকিবের?

Syed Hasibul