খেলাধুলা

এক সময় আমারা হারতাম আর এখন

চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাঁহাতের কনিষ্ঠ আঙুলে পাওয়া চোট এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি সাকিব। মেলবোর্নে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডেভিড হয়’কে আঙুল দেখিয়ে গেল ১৪ মার্চ দেশে ফিরেছেন। তবে কবে মাঠে ফিরতে পারবেন সেটা এখনও নির্দিষ্ট করে সাকিবকে জানাতে পারেননি তার চিকি‍ৎসক।সিরিজে খেলতে না পারলেও সতীর্থদের সতর্ক করেছেন সাকিব আল হাসান।

২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে যখন সাকিব আল হাসানের অভিষেক হয়, তখন জিম্বাবুয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের জয় এখনকার মতো নিত্তনৈমিত্তিক ঘটানা ছিল না। বরং চিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। বাংলাদেশকে প্রায়ই হারের গ্লানি উপহার দিতো ভুসি সিবান্দা, প্রোসপার উতসাইয়া ও ব্র্যান্ডন টেইলরদের নিয়ে গঠিত দলটি। এমনও দেখা গেছে জিম্বাবুয়েকে হারানোর পর টাইগারদের জয়ে রাজধানীতে বিজয় মিছিল নেমেছে।

কিন্তু কালের পরিক্রমায় সেই ধারাবাহিক হার এখন রোডেশিয়ানদের উপহার দিচ্ছে লাল সবুজের দল। বলতে গেলে, বলে কয়েই হারাচ্ছে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৩ বছর পেরিয়ে এসে সাকিব আল হাসানের চোখে এটিই বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের মধ্যে সবচাইতে বড় পার্থক্য হিসেবে ধরা দিয়েছে।শনিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে তিনি একথা বলেন। সাকিব বলেন, ‘আমার যখন অভিষেক হয়েছিল তখন আমরা জিম্বাবুয়ের সঙ্গে হারতাম। আর এখন ওদের হারাই।’

কিন্তু তারপরেও হ্যামিল্টন মাসাকাদজাদের হালকাভাবে নেয়ার কারণ দেখছেন না টাইগারদের এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। বরং অন্য আট দশটি শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখার পরামর্শ দিয়ে রাখলেন। ‘আমি এখনও মনে করি ওদেরকে খুব হালকা করে নেওয়ার কিছু নেই। কারণ এ দলেরও সামর্থ্য আছে। আমি মনে করি ওদেরকে হালকা করে কেউই নিচ্ছে না নিবেও না।’

তবে রোববার (২১ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া সিরিজে সতীর্থদের ওপর ভরসা রাখছেন টাইগারদের এই টেস্ট ও ওয়ানডে দলপতি। ‘আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী যে এরকম সামর্থ্য আমাদের খেলোয়াড়দের ভেতরে আছে। তারা ওই ভুলগুলো শুধরে ম্যাচে ফিরতে পারবে।’