রাজনীতি

কেন নির্বাচন করছেন না জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন

বাংলাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেয়া আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে।

কিন্তু বিএনপিসহ বিরোধীদলগৈুলোর জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের নামে কোন মনোনয়নপত্র জমা পড়েনি। তার মানে, তিনি নির্বাচন করছেন না।

কিন্তু যার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হলো, সরকারের সাথে সংলাপ হলো, এবং বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে এলো, শেষ পর্যন্ত সেই কামাল হোসেনই নির্বাচন করছেন না। কেন এই সিদ্ধান্ত? জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর পেছনে বয়েসই মূল কারণ।

বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. কামাল হোসেন বলছেন, “মূল কারণ হলো, আমার বয়েস এখন আশির ওপরে হয়ে গেছে। পাঁচ বছর আগেও যদি এ নির্বাচন হতো তাহলেও হয়তো বিবেচনা করতাম। কিন্তু তখন যে ইলেকশন হবার কথা সেটা তো হয় নি।”

কিন্তু ড. কামাল হোসেন রাজনীতি করছেন, সভাসমিতি করছেন। তাহলে নির্বাচন নয় কেন?

বিবিসি বাংলার এ প্রশ্নের জবাবে মি. হোসেন বলেন, রাজনৈতিক ব্যাপারে যতটুকু যা করার তা তিনি করবেন, কিন্তু তিনি নির্বাচন করবেন না শুধু বয়সের কারণেই।

কিন্তু বাংলাদেশে তো এমন অনেকে আছেন – যারা ড. কামাল হোসেনের চাইতেও বেশি বয়েসে মন্ত্রী হয়েছেন, বা রাজনীতি করছেন। বিবিসি বাংলার মিজানুর রহমান খানের এ কথার জবাবে তিনি বলেন, আমার দৃষ্টিতে আমি সেরকম কাউকে দেখিনা যে সেই ধরণের রাজনীতি করছেন, হয়তো দু’একজন থাকতে পারেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সবচেয়ে বড় দল বিএনপির দিক থেকে কি চাওয়া হয়নি যে ড. কামাল রাজনীতি করুন?