জাতীয়

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বলল বিএনপি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ জানিয়েছেন, দেশে সুষ্ঠু পরিবেশের ন্যূনতম পরিবেশ নেই দাবি করে বিএনপি বলেছে, তাদের সাত সম্ভাব্য প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের জামিন হচ্ছে না। বিচারিক আদালত সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। সরকারের সাজানো পুলিশ প্রশাসন, সিভিল প্রশাসন দলীয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।

শনিবার (১ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে বিকেল ৩টায় রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের কনফারেন্সে বৈঠকটি শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তারা বৈঠক করেন। তারা ইসির কাছে ৬ দফার একটি লিখিত দাবিও উপস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, বলেন, বর্তমান সরকারের এমপি-মন্ত্রীরা পদত্যাগ না করে সারাদেশে প্রার্থী হওয়ায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে, এমন বলার ন্যূনতম সুযোগ নেই। প্রতিদিন রাতের বেলায় অভিযানের নামে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আটক করছে। পুলিশি হয়রানির কারণে তারা বাড়িতে থাকতে পারছেন না। ৯১, ৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে নির্বাচনকালীন প্রশাসনের রদবদল করা হলেও এবার তা না করায় সরকারের আনুগত্য প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা কোনোভাবেই সম্ভব না।

ডিসি এসপি ইউএনও ও ওসিদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, তারা সরকারের আনুগত্য বলেই তাদের এসব পদে সরকার নিয়োগ দিয়েছে। ফলে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তাদের স্বাভাবিক কারণেই বদলি করা হলে এতে করে জনগণের আস্থা ফিরে আসবে। তাদের মনে হবে এবার বুঝি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। এই পরিবেশ যদি সৃষ্টি না হয়, তাহলে নির্বাচন একটি দুরূহ ব্যাপারে পরিণত হবে।

পুলিশ সারাদেশে যেভাবে অভিযানের নামে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার হয়রানি করছে জানিয়ে মওদুদ আহমদ বলেন, এ অবস্থা বন্ধ না হলে নির্বাচনের ন্যূনতম সুষ্ঠু পরিবেশ থাকবে না। এজন্য প্রয়োজন ডিসি, এসপি, ইউএনও ওসিদের বদলি করা হলে কিছুটা হলেও পরিবেশ সৃষ্টি হবে। এটা করা না হলে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হবে। আমরা চাই না নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হোক।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশন কবিতা খানম, রফিকুল ইসলাম, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন, ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টু, মুশফিকুর রহমান ও বিজন কান্তি সরকার।

আরও পড়ুন

হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ফরিদুর রেজা সাগর-ব্রাউনিয়া

Sheikh Anik

হাজী সেলিম নৌকার টিকেট পেয়ে বাকশক্তি ফিরে পেলেন

Syed Hasibul

হঠাৎ কেঁপে উঠলো রাজধানীসহ গোটা দেশ

Syed Hasibul