Notunshokal.com
Uncategorized রাজনীতি

২০০৮ সালের মতোই বেশি ছাড় দেওয়া হচ্ছে জাতীয় পার্টিকে

আওয়ামী লীগের সঙ্গে শরিকদের আসন সমঝোতা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে। এদিকে ২০০৮ সালের মতোই বেশি ছাড় দেওয়া হচ্ছে জাতীয় পার্টিকে। নিশ্চিত হয়েছে ২৮টি আসন। যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হওয়া দুজন প্রার্থীর মনোনয়ন আপিলে বৈধ হলে তারাও পাবেন মনোনয়ন। এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন দল নিজের এবং জোটের প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়নের চূড়ান্ত চিঠি দেওয়া শুরু করেছে। আজকের মধ্যেই এই চিঠি বিতরণ শেষ হবে।

দেখে নিন জাতীয় পার্টির নিশ্চিত আসন যেগুলোঃ
জাতীয় পার্টিকে সবচেয়ে বেশি আসন ছাড় দেওয়া হচ্ছে রংপুর বিভাগে নয়টি। আসনগুলো হলো: রংপুর-১ মশিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর-৩ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, নীলফামারী-৩ কাজী ফারুক কাদের, নীলফামারী-৪ শওকত চৌধুরী অথবা আহসান আদেলুর রহমান আদেল, কুড়িগ্রাম-১ আক্কাস আলী, কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহমেদ, কুড়িগ্রাম-৪ আসাফউদ্দৌলা তাজ, লালমনিরহাট-৩ জি এম কাদের এবং গাইবান্ধা-১ শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

তাছাড়া এই বিভাগে আরও সাতটি আসন দাবি করছে জাতীয় পার্টি। এগুলো হলো: দিনাজপুর-৬, রংপুর-২, ৪, ৫, গাইবান্ধা ৩ ও ৫ এবং কুড়িগ্রাম-৩। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম-৩ আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছেন এম এ মতিন। এখানে লাঙ্গল নিয়ে দাঁড়াতে চাইছেন আক্কাস আলী সরকার।

এদিকে রাজশাহী বিভাগের মধ্যে কেবল বগুড়ায় ছাড় পাচ্ছে জাতীয় পার্টি। এই জেলার সাতটি আসনের মধ্যে চারটিতেই থাকছে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী। আসনগুলো হলো: বগুড়া-২ শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ নুরুল ইসলাম ওমর ও বগুড়া-৭ আলতাফ আলী। তাছাড়া এর বাইরে রাজশাহী-৫ এবং নাটোর-১ আসনে ছাড় দাবি করছে জাতীয় পার্টি।

এদিকে ঢাকা বিভাগে পাঁচটি আসন নিশ্চিত হয়েছে জাতীয় পার্টির। এর মধ্যে রাজধানীর দুটি। আসনগুলো হলো ঢাকা-৪ সৈয়দ আবুল হোসেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফিরোজ রশীদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ এ কে এম সেলিম ওসমান এবং কিশোরগঞ্জ-৩ মুজিবুল হক চুন্নু। এদিকে ঢাকা-১৭ আসনটি দলীয় চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্য ছাড় নিশ্চিত করতে চেষ্টা চলছে। এখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী করেছে আকবর হোসেন পাঠান ফারুককে।

তাছাড়া বরিশাল বিভাগে দুটি আসন নিশ্চিত হয়েছে। এগুলো হলো বরিশাল-৬ নাসরিন জাহান রতন এবং পিরোজপুর-৩ রুস্তম আলী ফরাজী। বরিশাল-২ আসনে চিত্রনায়ক সোহেল রানা যাচাই-বাছাইয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেলে তিনি পাবেন মনোনয়ন। জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়ন বৈধ হলে তিনি পটুয়াখালী-১ আসনও পাবেন।

ময়মনসিংহ বিভাগে গতবার পাঁচটি আসনে ছাড় দেওয়া হলেও এবার দেওয়া হয়েছে দুটি। এগুলো হলো: ময়মনসিংহ-৪ বেগম রওশন এরশাদ ও ময়মনসিংহ-৮ ফখরুল ইমাম। এর বাইরে ময়মনসিংহ-৫ এবং ৭ আসন দাবি করছে জাতীয় পার্টি। তবে এগুলো পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

এদিকে সিলেট-২ ইয়াহহিয়া চৌধুরী এবং সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান মেসবাহ। এই বিভাগে হবিগঞ্জ-১ আসনটিও চাইছে জাতীয় পার্টি। তাছাড়া আসন কমেছে চট্টগ্রাম বিভাগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-২ এম এ নোমান, ফেনী-৩ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-৫ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। কুমিল্লা-৮ নুরুল ইসলাম মিলন এবং চট্টগ্রাম-১৬ মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। কুমিল্লা-২ আসনটিও দাবি করছে দলটি। এদিকে খুলনা বিভাগে জাতীয় পার্টিকে কোনো আসনে ছাড় দেওয়া হয়নি। যদিও তারা খুলনা-১ ও সাতক্ষীরা-২ আসন দাবি করছে।

এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘আমরা আশা করি আমাদের ৫০টি আসন দেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন

হ্যাকের কবলে ‘পার্থের’ ফেসবুক আইডি

Syed Hasibul

হেলমেট পরিহিত সেই যুবক আটক

হিরো আলমের মনোনয়নপত্র আপিলেও বাতিল

Syed Hasibul