খেলাধুলা

মাশরাফি,পাওয়েলর খোঁচা মেরে কথার উচিৎ জবাব দিল

চলছে বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এদিকে দুই দল ১-১ ম্যাচ জিতে সমতায় আছে। আগামীকাল সিরিজের ৩য় ও শেষ ওয়ানডে। আর এর মাধ্যমে নির্ধারিত হবে সিরিজ জয়ের ফলাফল। এদিকে সংবাদ সম্মেলনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক বলেছেন, ‘এটা তো পরিষ্কার, বাংলাদেশ ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে স্বস্তি পায় না। আমরা ওদের এই দুর্বলতা কাজে লাগাতে চাই। আশা করি, আগামীকাল তা আমরা করে দেখাতে পারব।’

এমন কথার জবাবে বাংলাদেশ অধিনায়ক পাল্টা জবাব দিয়ে বললেন, ‘ওদের পেস বোলিং আমরা দুই ম্যাচেই সামাল দিয়েছি। এটা ঠিক শুরুতে একটা-দুইটা উইকেট পড়েছে। শেষ ম্যাচেও যদি দেখেন, মুশফিক ও তামিমকে কিন্তু ওরা পেস বোলিং দিয়ে খুব একটা ভোগাতে পারেনি। রিয়াদকেও না। ইনিংসের শুরুতে হয়তো কিছুটা হতে পারে, এটা স্বাভাবিক। সাকিবও খুব আরামসেই খেলেছে। শটও খেলছে। আমার মনে হয় না, খুব একটা কিছু করতে পেরেছে ওদের পেসাররা।’

এ সময় মাশরাফি যুক্তিও দেখিয়ে বলেন, ‘আগে একটা সময় ছিল যে এই ব্যাপারগুলো অনেক প্রভাব ফেলত, এখন আর ওই জায়গায় দল নেই। তবে খুব বেশি গতির বোলিংয়ের কথা যদি বলেন, তাতে তো পৃথিবীর সব ব্যাটসম্যানেরই সমস্যা হয়। কিন্তু ১৪০, ১৪২-১৪৩ গতির বল আমাদের অনেক ব্যাটসম্যান সহজেই সামলাতে পারে। তামিম চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজেলউডদের বিপক্ষে সহজেই ব্যাটিং করেছে। আমরা ওই পর্যায়টা পার করে এসেছি।’

মাশরাফি আরও বলেন, ‘তামিম যদি সে সময় আউট না হতো, চিত্রটা ভিন্ন হতো। সাকিব যদি শেষ তিন ওভারের দুই ওভার ব্যাটিং করতে পারত, ও আরও ২০টা রান তুলত। যদি আমরা ঠিকমতো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারি, কোনো সমস্যা হবে না। পেসের জন্য সমস্যা হয়েছে, এমন না। তবে বাড়তি গতির পেস অবশ্যই সমস্যা। এ ক্ষেত্রে শুধু আমাদের দলের দোষ দিয়ে লাভ হবে না। পৃথিবীর সব ব্যাটসম্যানের জন্যই তা অস্বস্তিকর। কীভাবে সেই বোলারকে সামাল দিচ্ছেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ।’