রাজনীতি

হাসিনা আহমদ বলেন,আমাকে হত্যা করতেই এই হামলা

আজ ১৫ ডিসেম্বর শনিবার কক্সবাজারের বৃহত্তর উপজেলা চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী এডভোকেট হাসিনা আহমদের গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে আওয়ামী লীগের একদল সন্ত্রাসি। ওই সময় হামলাকারিরা হাসিনা আহমদকে ব্যবহৃত গাড়িসহ ৩টি গাড়ি, ৪টি মোটর সাইকেল ভাংচুর ও ২টি মোটর সাইকেল ছিনিয়ে নেয়। এই ঘটনায় শতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছেন।

আজ শনিবার বিকালে কক্সবাজার জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি প্রার্থী হাসিনা আহমেদ। এ সময় তিনি দাবি করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের একদল সন্ত্রাসী এই হামলা চালিয়েছে। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে হামলার বর্ণনা তুলে ধরতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন হাসিনা আহমেদ।’

তিনি বলেন, ‘আজ গণসংযোগে যাওয়ার পথে আমাকে হত্যার উদ্দেশে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের কাটাখালী ব্রিজের কাছে হামলা চালায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাফর আলমের কর্মী ও সমর্থকরা। এ সময় ১০-১৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে হামলার নেতৃত্ব দেন স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুল।

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা শুধু হামলা করে ক্লান্ত হয়নি। আমার গাড়িসহ ৭টি গাড়িতে বেপরোয়া ভাঙচুর চালায়। পাশাপাশি ২টি মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন হাসিনা আহমেদ।’

এ সময় তিনি দাবি করেন, ‘এই হামলা আমাকে মেরে ফেলার জন্য করা হয়েছিল। এলাকাবাসী নিরাপদে সরিয়ে না নিলে ওই স্থানে আমার মৃত্যু হতো। বর্তমানে আমার জীবন নিয়ে খুবই শঙ্কায় রয়েছি। যে কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার ও চকরিয়া থানার ওসিকে এই ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।’