রাজনীতি

ইরাদ সিদ্দিকী বলেছেন,আমার বাবাকে কেউ ভোট দেবেন না

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এদিকে নির্বাচনের প্রচারণায় গাজীপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীকে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তার ছেলে চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী। তিনি বলেছেন, তিনি প্রচার চালাচ্ছেন বাবার পক্ষে, কিন্তু ভোট দেবেন নৌকায়।

এদিকে স্থানীয় একজন সাংবাদিকের সঙ্গে ইরাদের মোবাইল ফোনে কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনি কি মনে করেন আমি আমার পিতার রাজনৈতিক ভাগীদার? আপনি কি মনে করেন আমি আমার ভোটটা বিএনপিকে দেব?’

এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে ইরাদ বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাকে মনোনয়ন দেওয়ার বিনিময়ে পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছেন।’ এরপর ইরাদ ও তার বাবা দল থেকে বহিষ্কৃত হন। তবে সম্প্রতি তানভীরকে দলে ফিরিয়ে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।

ইরাদ বলেন, ‘আমার পিতা বিএনপি করতে পারে, আমি আওয়ামী লীগ করতে পারি। আমিও মেয়র প্রার্থী ছিলাম। এখন আমার পিতার আশেপাশে হুমায়ুন কবির খান, মেয়র মজিবুর রহমানের মতো লোক আছে, যারা কালিয়াকৈরকে লুটপাট করেছে গত ১০ বছর। মেয়র মজিবুর বাংলাদেশের ছোট ছোট শহরের লুটতরাজদের মধ্যে একজন। সে আওয়ামী লীগের মেয়র ছিলেন, আওয়ামী লীগ তাকে ব্যবহার করেছে। এখন তারা বিএনপির কাজ করছে।’

এ সময় তানভীর সিদ্দিকী জিততে পারবেন না বলে তিনি বলেন, ‘আমার পিতার যখন যৌবন ছিল, আমার পিতার যখন গায়ে জোর ছিল, তখন সবাই রহমত আলীকে ভোট দিয়েছে। শ্রীপুরের লোক ভোট দিয়ে এমপি বানিয়েছে। এখন আমার পিতার বয়স ৮০। উনি হয়ত সংসদের পুরো মেয়াদও শেষ করতে পারবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার ভোটটা আমার পিতাকে দেব না। আমার কথাটা বুঝতে পারছেন? এখানে আ ক ম মোজাম্মেলের আশেপাশে যারা আছে সেখানে মজিবুরের মতো, হুমায়ুনের মতো কেউ নাই। এখানে তানভীর সিদ্দিকির পাশে এমন সব খারাপ খারাপ লোকরা আছে যারা কালিয়াকৈর শিল্প এলাকায় চাঁদাবাজি করেছে। নামকরা সব চাঁদাবাজরা তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর পাশে আছে।’