খেলাধুলা

২০২৩ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সাথে নিজেদের মাটিতে বাড়তি আরো একটি পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে চায় ভারত

বাংলাদেশ ভারত ম্যাচ মানেই এখন টান টান উত্তেজনা। বিগত কয়েক বছর ধরে উত্তাপ ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ বনাম ভারতের ক্রিকেট ম্যাচ। ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ দিয়েই শুরু এই উত্তাপ। এরপর দেশের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে বাংলাদেশ। মূলত এরপর থেকে বাংলাদেশকে সমীহ করতে থাকে ভারত।

শুধু তাই নয় ২০১৬ সালে এশিয়া কাপের ফাইনাল ওই বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নাটকীয় হার এবং এ বছরের শ্রীলঙ্কায় ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনাল সর্বশেষ এশিয়া কাপে ভারত বাংলাদেশ ফাইনাল। সব মিলিয়ে বর্তমানে এশিয়া র দুই পরাশক্তি ভারত বাংলাদেশ। তবে এতদিন বাংলাদেশের সাথে কোন সিরিজ খেলেনি ভারত। তবে এবার বাংলাদেশকে আরো বেশি আমন্ত্রণ জানাবে ভারত।

আইসিসি’র ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম বা এফটিপি’র বাইরে বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে চায় ভারত। এমনটাই জানিয়েছেন বিসিসিআই’য়ের সেক্রেটারি অমিতাভ চৌধুরী। তিনি দাবি করেন, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজন হলে, বাণিজ্যিক দিক থেকেও লাভবান হবে বিসিসিআই।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ পথ চলা শুরু ১৮ বছর হলো। গেল দেড়যুগে বাংলাদেশ একবারই ভারতের মাটিতে একটি টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছে ২০১৭ সালে এসে। বাণিজ্যিক কারণেই মূলত ভারত তাদের মাটিতে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানায় না। তবে, এবার প্রেক্ষাপট বদলেছে। তাই বিশ্ব ক্রিকেটের প্রভাবশালী ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।

বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে চাইছে। বিসিসিআই সেক্রেটারি অমিতাভ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশ্বের এখন পরাশক্তি দল। এটা তারা পারফরমেন্স দিয়ে প্রমাণ করেছে। আমরা এখন বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতে মাটিতে সিরিজ খেলার ব্যাপারে খুবই আগ্রহী।

আইসিসি’র ২০২৩ সালের সূচি অনুযায়ী ২০২২ সালের নভেম্বরে ভারতের মাটিতে ২টি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ। তবে, তার আগেই হবে ভারত-বাংলাদেশের বারতি একটি সিরিজ। অমিতাভ চৌধুরী  বলেন, আইসিসি থেকে নির্দেশ আছে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত সূচি মেনে চলতে হবে। তবে, হ্যাঁ ২০২২ সালের আগে সুযোগ খুঁজছি বারতি একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ভারতে আয়োজনে।

এতো বাণিজ্যক ভাবে বিসিসিআই লাভবান হবে। সামনেই ২০১৯ বিশ্বকাপ যেখানে বাংলাদেশকে ফেভারিটর তালিকায় রাখছেন আইসিসি’র নীতিনীধারক। তিনি আরো জানান, ২০ বছর আগে হলে ভিন্ন কথা বলতাম। কিন্তু এখন যে পর্যায়ের ক্রিকেট খেলছে, তাতে বলতেই হচ্ছে বিশ্বকাপে বাংলাদেশও আমার কাছে ফেভারিট।