রাজনীতি

আইনজীবীদের অনাস্থা খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে শুনানিতে

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এদিকে একাদশ নির্বাচনে অংশ নিতে খালেদা জিয়া ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে তিনটি আসনের মনোনয়নপত্রই বাতিল করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

এদিকে তিন আসনে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রিট আবেদনের শুনানিতে আদালতের প্রতি ফের অনাস্থা জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। এ ব্যাপারে হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসানের নেতৃত্বাধীন একক বেঞ্চে এ শুনানি আজ সোমবার ১৭ ডিসেম্বর সকালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতের প্রতি অনাস্থা জানান। পরে দুপুর ২টা পর্যন্ত আদালত মুলতবি ঘোষণা করা হয়।

এর জন্য খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন কী পারবেন না তা ঝুলেই থাকল। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও একক বেঞ্চের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। তারা আদালত থেকে বেরিয়ে যান। ওই দিন আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী ও বদরুদ্দোজা বাদল।

এ ব্যাপারে আইনজীবী বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ‘আমাদের এই আদালতের প্রতি কোনো আস্থা নেই। সৈয়দ রিফাত আহমেদ ছিলেন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি। সুপ্রিমকোর্টের বিধান হল-একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি যদি কোনো মামলার শুনানি করেন, তবে জুনিয়র কোনো বিচারপতি ওই মামলায় আর শুনানি করতে পারবেন না। সে জন্য এই আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়েছি।’