রাজনীতি

লতিফ সিদ্দিকীকে অনশন থেকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হল

গত রবিবার বেলা ১২টার দিকে টাঙ্গাইল-৪ কালিহাতী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী লতিফ সিদ্দিকী নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়া ইউনিয়নের সরাতৈল এলাকায় লতিফ সিদ্দিকীর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় এক দল দুষ্কৃতিকারীরা তার গাড়িতে হামলা চালিয়ে বহরের ৪টি গাড়ি ভাংচুর করে। এরপর দুপুর ২টা থেকে তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সামনের রাস্তায় ধর্মঘট পালন শুরু করেন।

এরপর বেড, কাঁথা, বালিশ বিছিয়ে বসে পড়েন আওয়ামী লীগের সাবেক এই মন্ত্রী। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও একটুও নড়েননি তিনি। বরং তাঁবু গেঁড়ে, লেপ নিয়ে রাত্রিযাপনের সব প্রস্তুতি সেরে শুয়ে পড়েন তিনি। তিনি বলেন স্থান ছাড়বেন না দাবি আদায় না হওয়া অব্দি। এবং তিনি আমরণ অনশনে ঘোষণা দেন।

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। মেডিকেল টিম তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি রাজি হননি। আজ বুধবার সকালে তার অবস্থার আরও অবনতি হলে দ্রুত তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু আজ বুধবার ১৯ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় টিকে তাকে চিকিৎসকদের পরামর্শে হাসপাতালে নেয়া হয়।

এ সময় টাঙ্গাইল জেলা হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মোফাজ্জল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, লতিফ সিদ্দিকীর হৃদস্পন্দন কমে গেছে। রক্তচাপও বেড়েছে। ইতোপূর্বে তিনি হার্ট অ্যাটাকে অক্রান্ত হয়েছিলেন। তার হার্টে দুটি রিং পড়ানো রয়েছে। ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেয়ায় তার শ্বাস কষ্ট হচ্ছে। এ কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।