জাতীয়

হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনার পরও অনুপস্থিত রয়েছেন চিকিৎসকরা

দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনার পরও অনুপস্থিত রয়েছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি কোথাও কোথাও রয়েছে ওষুধ সংকট। কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রোগীদের।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চিকিৎসকদের দাবি, বাড়তি সময়ে সেবা দিয়ে পুষিয়ে দেন তারা। পাশাপাশি শূন্যপদে জনবল নিয়োগের দাবি জানিয়েছে তারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি সহায়তায় স্বল্প খরচে এখানে স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসেন নানা বয়সী মানুষ। কেননা যথাসময়ে চিকিৎসক না আসায় বাড়ছে দুর্ভোগ। পাশাপাশি মিলছে না সাধারণ রোগেরও ওষুধ।

বিষয়টি নিয়ে রোগীরা বলেন, যে ডাক্তারদের আসার কথা তারা ঠিকমতো আসে না। দুই একজন নার্স থাকে। কিন্তু ডাক্তারের দেখা আমরা পাই না। আমরা ঠিক মতো চিকিৎসা পাচ্ছি না।

এদিকে, বরগুনা সদর হাসপাতালে সকাল ৮টার পর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন বিভাগের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক অনুপস্থিত। নিজ নিজ বিভাগে পাওয়া যায়নি ডা. শারমীন, আব্দুর রহমান ও সিদ্ধার্থ বড়ালসহ জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক কামাল হোসাইনকে। হাসপাতালের কোথাও দেখা মেলেনি তাদের। এতে বিড়ম্বনায় পড়েন রোগী ও স্বজনরা। রোগীরা বলেন, হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও ডাক্তাররা আসে না। এখানে বেশিরভাগ সময় তারা থাকেন না।

বিষয়টি নিয়ে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সোহরাফ হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কথা ওই দিনই কার্যকর হবে যখন এখানে ১৯টি মেডিকেল অফিসারের পোস্ট পূর্ণ হবে। আর আমার মেডিকেল অফিসার মাত্র ২ জন।’

এছাড়া, ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ দিন ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীরা। কর্তৃপক্ষ জানায়, বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে শুক্রবার থেকে ওই হাসপাতালের পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সূত্র: সময় টিভি