খেলাধুলা

বিসিবি সভাপতি পাপন ইমরুলকে নিয়ে পুরো সুরই পাল্টে ফেললেন

বাংলাদেশ দলে তামিম ইকবালের যোগ্য সঙ্গী ইমরুল কায়েসকে উপেক্ষা করে দল ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিবি)। এদিকে ফর্মে থাকার পরও কেন স্কোয়াডে রাখা হয়নি-এর কারণ জানতে চেয়েছিলেন ইমরুল। এই বিষয়টি নিয়ে বোর্ডের সভাপতি নাজমুল ইসলাম পাপনকে নিয়ে সমালোচনা হয় ব্যাপক। অবশেষে নিউজিল্যান্ড সফরের বাংলাদেশ দলে ইমরুল কায়েসকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানান পাপন। কিন্তু আজ শনিবার ২ ফেব্রুয়ারি বোর্ডের সভা শেষে পুরো সুরই পাল্টে ফেললেন বিসিবি সভাপতি পাপন।

এ ব্যাপারে আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পাপন বলেন, ‘আমি পরিষ্কার বলেছি, ১৫ জনের তালিকা দেওয়া হয়েছে। আরেকজন আসার সুযোগ আছে। ১৬ জনে ওর (ইমরুলের) আসার সম্ভাবনাই বেশি। আমার ধারণা ও চলে আসবে।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘নিউজ দিয়ে দেওয়া হলো- ইমরুলকে স্কোয়াডে নেওয়া হয়েছে। এবং আমি নাকি এটা নিশ্চিত করেছি। আমার কাছে এখনও নামই আসেনি, তো আমি কীভাবে কনফার্ম করব। এটা তো আসবে নির্বাচকদের কাছ থেকে। এটা যখন দেখেছি, দেখার পরে কয়েকটা চ্যানেল আমাকে ফোনও করেছিল। সঙ্গে সঙ্গে তাদের বলা হয়েছে এটা এরকম নয়। তারপরও যখন নিউজ সরায়নি তখন হয়ত রাগ করেছে কেউ, এটা তো হতেই পারে।’

পাপন বলেন, ‘পর পর এই দুই ঘটনায় মনে হয়েছে আপনাদের (মিডিয়া) সঙ্গে কথা বলায় সীমাবদ্ধতা আনা ছাড়া আমার কোনো পথ নাই।’

এদিকে ইমরুলকে বাদ দেওয়ার কারণ জানাতে গিয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছিলেন, ‘প্রেজেন্ট ফর্ম ও কন্ডিশন চিন্তা করে ওকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমাদের বিশ্বকাপের জন্য ৩২ জনের যেই পুল আছে তাদের মধ্যেই আছে। তিন ওয়ানডের জন্য যারা যাচ্ছে তাদেরকেও দেখতে হবে, যারা এখানে থাকবে তাদেরকেও প্রিপেয়ার করা হবে। কাউকে আড়াল করা হচ্ছে না। সামনে আয়ারল্যান্ড আছে। সাথে সাথে বিশ্বকাপ, সুতরাং প্রতিটা খেলোয়াড়কেই দেখভাল করা হবে।’

এদিকে দলে না থাকা নিয়ে ইমরুল কায়েস বলেন, ‘দেখেন গত ১০ বছর এভাবেই খেলে আসছি। ভালো খেলার পর পরের সিরিজগুলো খেলতে পারব কী পারব না তা আমি নিজেও এক্সপেক্ট করি না। তাই মেন্টালি রেডি থাকি যখনই সুযোগ পাই ন্যাশনাল টিমের জন্য ভালো খেলার চেষ্টা করি।’

ইমরুল আরও বলেন, ‘এদিক দিয়ে হয়তো আমি আনলাকি, বাট আফসোস নেই এভাবে ১০ বছর খেলে ফেলছি। সেই হিসেবে ওই আফসোস আর নেই।’

ওয়ানডে স্কোয়াড: মাশরাফি বিন মর্ত্তোজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, নাঈম হাসান।