আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানি বিমান হামলা থেকে বাঁচতে বাংকার খুঁড়ছে ভারতীয় গ্রামবাসীরা

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্ম-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় দেশটির আধাসামরিক বাহিনীর ৪৯ জন সদস্য নিহত হয়েছে। এরপর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এরই মধ্যে ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া এলাকায় বালাকোটের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বোমা হামলার পর থেকে দুই দেশে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে।

আর এ হামলায় পাকিস্তানের ৩০০ জন নিহত হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম দাবি করছে। পাকিস্তানে হামলার পর থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটিতে এক জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

তবে এ হামলায় কোনো হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী গণসংযোগ অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গফুর। পাশাপাশি ইমরান খানের নেতৃত্বে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির জরুরি বৈঠকে করে।

বৈঠবেরপর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভারত যে স্থানে হামলা করার দাবি জানিয়েছে, সেখানে সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য বিশ্বের জন্য স্থানটি খোলা রাখা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ভারতীয় সরকার আরেকবার তাদের আত্মস্বার্থে বেপরোয়া কাল্পনিক দাবির আশ্রয় নিয়েছে। ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভারত অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যে আগ্রাসন চালিয়েছে, সময় ও স্থান অনুসারে পাকিস্তান তার জবাব দেবে।’

এদিকে, পাকিস্তানী বিমান হামলা আতঙ্কে রয়েছে ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের গ্রামবাসীরা। পাকিস্তানের পাল্টা হামলার ভয়ে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকার ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর এলাকায় গ্রামবাসী মাটি খুঁড়ে বাংকার তৈরি করছে। খবর এএফপি

দেখা যায় গ্রামবাসীদের কয়েকজন জম্মু-কাশ্মীর এলাকার একটি ছবিতে দেখা যায় বাংকার তৈরির পর সেখান থেকে পানি নিষ্কাশন করছে।

এ বিষয়ে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়,এ শহরটিতে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য নিহত হওয়ায় ঘটনায় মঙ্গলবার ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানে হামলা করছে। এর পর থেকে সীমান্তবর্তী মানুষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

মঙ্গলবার মিরাজ-২০০০ জঙ্গিবিমান ব্যবহার করে লেজার গাইডেড এক হাজার পাউন্ডের বোমা ফেলা হয়েছে। ইসরাইলি প্রযুক্তি দিয়ে এই লেজার গাইডেড বোমা তৈরি করা হয়েছে। কারগিলে যার প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল।