খেলাধুলা

বাংলাদেশি আট তারকার জাতীয় দলে ফেরা অসম্ভব

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে এখন জায়গা করে নেয়া বেশ কঠিন। আগের মত সহজেই এখন আর জাতীয় দলে আসা যায় না। পূর্বে একটা সময় ছিল যখন পারফর্মার কম ছিল। তাই লিগে কেউ ভালো করলেই দলে জায়গা মিলত। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে গেছে। এখন প্রতিটি পজিশনে অনেক পারফর্মারদের মধ্যে হয় লড়াই। তাই এখন আর দলে জায়গা পাওয়াটা কঠিন।

তবে নতুন যারা আছে তারা আলো ছড়িয়ে দলে আসতে পারলেও দল থেকে একবার বাদ পড়লে তাদের ফিরে আসাটা বেশ কঠিন। আর সেই বাদ পড়াটা যদি হয় অনেক দিন ধরে তাহলে তো তার জন্য জাতীয় দলের রাস্তাটা প্রায় বন্ধই বলা যায়।

বাংলাদেশেও এমন কয়েকজন তারকা আছে যারা একটা সময় জাতীয় দলে খেললেও এখন জাতীয় দলের দরজা তাদের জন্য প্রায় বন্ধ। সেই তারকা কারা?

১. শাহারিয়ার নাফিস- একটা সময় বাংলাদেশ জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য ওপেনার ছিলেন। এক বছরে ১০০০ রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেছিলেন। কিন্তু এখন তার জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

২. রাজ্জাক- বাংলাদেশ জাতীয় দলে স্পিনের রাজত্ব করেছেন তিনি। সেই রাজ্জাকই এখন জাতীয় দলে ব্রাত্য হয়ে আছেন।

৩. ফরহাদ রেজা- জাতীয় দলে বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে এসেছিলেন। অভিষেকেই করেছিলেন অর্ধশতক। এরপর ধীরে ধীরে হারিয়ে গেছেন তিনি।

৪. জিয়াউর রহমান- হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান হিসেবেই পরিচিতি তার। সাথে পেস বোলিংটাও মন্দ না। সেজন্যই তাকে দলে আনা হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে নিজের পারফর্মেন্সের সাথে লড়াই করা এই তারকাও এখন জাতীয় দলের বাইরে।

৫. ধিমান ঘোষ- বাংলাদেশ জাতীয় দলে উইকেট কিপার হিসেবে মুশফিকের ব্যাকআপ হয়ে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু পারফর্মেন্স সন্তুষ্ট জনক না হওয়ায় দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। এখনো সেখানে মঠুন, সোহান, লিটনের মত তারকারা থাকায় তার জাতীয় দলে ফেরাটা অনেক কঠিনই হয়ে গেছে।

৬. রাকিবুল- টি-টুয়েন্টিতে দলে জায়গা না পেয়ে অভিমানে অবসর নিয়েছিলেন টেস্ট তারকা হিসেবে পরিচিত রাকিবুল। তারপর অনেক নাটকের পর ফিরে আসলেও জাতীয় দলে আর ফেরা হয়নি তার।

৭. অলক কাপালি- লেগ স্পিনার হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলেছিলেন দীর্ঘদিন। কিন্তু পরে ফর্মের সাথে লড়াইটা সন্তুষ্ট জনক না হওয়ায় দল থেকে বাদ পড়েন এই তারকা।

৮. শাহাদাত হোসেন রাজীব- একটা সময় মাশরাফির সাথে উদ্বোধনী বোলার ছিলেন শাহাদাত। কিন্তু ধীরে ধীরে তরুণ ও ভালো মানের বোলার উঠে আসায় নিজের জায়গা হারান শাহাদাত। জায়গা হারানোর পেছনে নিজেও দায়ী ছিলেন তিনি। বলের লাইন লেন্থ ঠিক রাখাটার জন্যই যেন করতে হত লড়াই। প্রতিপক্ষের জন্য আশীর্বাদ ছিলেন তিনি।