খেলাধুলা

দ্বিতীয় টেস্টের একাদশে ফিরছেন মুস্তাফিজ। কিন্তু কার পরিবর্তে

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচে তেমন একটা সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ জাতীয় দলে ফাস্ট বলার। কিন্তু এবার বাংলাদেশের দলে একাদশে আসছে পরিবর্তন। দেশের সেরা ফাস্ট বোলার মুস্তাফিজুর রহমান খেলছেন দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ এটা একপ্রকার নিশ্চিত। কিন্তু তিনি খেলবেন কা র পরিবর্তে?

স্কোয়াডের বাকি তিন পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ, আবু জায়েদ রাহী এবং ইবাদত হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে ওয়েলিংটনে নেমেছিল বাংলাদেশ। ম্যাচে তিন পেসার মিলে উইকেট নিয়েছিলেন একটি। কিন্তু বোলিং লাইন-লেন্থ কিংবা আগ্রাসী মনোভাবে অধিনায়কের বাহবা কুড়িয়েছেন পেসাররা।

তাই তো ম্যাচ পূর্ববর্তী আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে টাইগার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কণ্ঠে শোনা যায়, ‘আমি পেস বোলারদের একটি কথা বলেছিলাম। তারা বেশ অনভিজ্ঞ এবং বোলিং আক্রমণও নতুন। সুতরাং এটি বেশ কঠিন হবে তাদের জন্য যদি আমি অনেক বেশি কিছু প্রত্যাশা করি। অবশ্যই ওরা ভালো বোলার, তবে ওদেরকে আরও সময় দিতে হবে। তাদেরকে আরও প্রস্তুত করতে পারলে তারা বাংলাদেশের জন্য আরও ভালো কিছু এনে দিতে পারবে এবং অনেক ভালো পারফর্ম করবে। তাদের মধ্যে সেই আগ্রাসী মনোভাব আছে যেটি আমার কাছে বেশ সন্তোষজনক মনে হয়েছিলো।’

এ তো গেলো প্রথম ম্যাচের কথা। যেহেতু দ্বিতীয় ম্যাচে ফিরবেন দ্য ফিজ, তাকে জায়গা দিতে বাদ দেয়া হবে কাকে? নাকি ওয়েলিংটনের কন্ডিশনে একমাত্র স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজকে বসিয়ে চার পেসার নিয়েই খেলতে নেমে যাবে বাংলাদেশ দল? এমন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। জানিয়েছেন টিম ম্যানেজম্যান্টের সঙ্গে কথা ম্যাচ শুরুর আগে ঠিক করা হবে মোস্তাফিজের অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্তটি।

টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘আমি স্বীকার করি যে আমাদের পেসাররা বেশ আক্রমণাত্মক ছিলো। আমি নিজে যেটি ব্যক্তিগতভাবে চেয়েছিলাম ওদের কাছ থেকে যে অনেক বেশি ওভার বোলিং করা সেটি তারা চেষ্টা করেছে। বিভিন্ন বল করার চেষ্টা করেছে তারা যেমন শর্ট বল, বাইরে, লেন্থে। এই বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করতে পেরেছে তারা। তবে আরেকটু ধারাবাহিক হলে ভালো হবে। আর মোস্তাফিজ ইনশাল্লাহ অবশ্যই হয়তো ফিরবে। তবে সেটি কার জায়গায় সেটি সিদ্ধান্ত নিবো টিম ম্যানেজমেন্টের সাথে কথা বলে।’