খেলাধুলা

এইমাত্র চূড়ান্ত হলো লিটন নাকি সৌম্য কে হবে তামিমের ওপেনিং সঙ্গী

আগে যে সমস্যার সমাধান ছিল দুষ্কর। বর্তমানে সেটি হয়ে দায়িড়ছে মধুর সমস্যায়। পুর্বে যেখানে তামিমের সাথে কে বাধবেন ওপেনিংয়ে সেটিই খুজে পাচ্ছিলেন না নির্বাচকরা।

বর্তমানে সৌম্য-লিটনের কে বাধবেন জুটি তা নিয়েও বড় সমস্যায় পড়েছেন নির্বাচকমন্ডলী। তবে এক্ষেত্রে বিশ্বকাপে সৌম্যকেই এগিয়ে রাখছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

সৌম্য সরকার নাকি লিটন দাস? ত্রিদেশীয় সিরিজে যে কয়টি ম্যাচ খেলেছেন সবকটিতেই ফিফটি হাঁকিয়েছেন দুজন। তবে পরপর তিন ম্যাচে ফিফটি হাঁকানো সৌম্য সরকারই এগিয়ে থাকছেন তামিমের সঙ্গী হবার দৌড়ে।

এমনটাই জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। সময় সংবাদে তিনি আরও জানান, অভিজ্ঞদের পাশাপাশি এবারের বিশ্বকাপে বড় ভূমিকা রাখবে তরুণ ক্রিকেটাররা। ইনজুরি ছাড়া বিশ্বকাপের দলে কোন পরিবর্তন আসবেনা বলেও নিশ্চিত করেছেন প্রধান নির্বাচক।

ত্রিদেশীয় সিরিজে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। একইসঙ্গে তৈরি হয়েছে একটি মধুর সমস্যাও।সৌম্য-লিটন-সৈকত-রাহীরা যে যার জায়গায় দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। সেরা একাদশ তৈরি করাটা তাই হয়ে উঠেছে কঠিন চ্যালেঞ্জ।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তিন ম্যাচ খেলে সবকটিতেই ফিফটি হাঁকিয়েছেন সৌম্য সরকার। এক ম্যাচে সুযোগ পেয়ে জাত চিনিয়েছেন লিটন দাসও। বিশ্বকাপে তাহলে তামিমের সঙ্গী হচ্ছেন কে?

জানা গেছে এখন পর্যন্ত সৌম্য সরকারকে খেলানোর পরিকল্পনা। ডান হাতি-বাঁহাতি কম্বিনেশনের কথা বলা হলেও, সৌম্যর ধারাবাহিকতাই এগিয়ে রাখছে তাকে।

সবকিছুই ভাবতে হয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। তবে এতসব চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে আপাতত সবার ফর্মে ফেরাটা উপভোগ করছেন প্রধান নির্বাচক। নান্নু বলেন, সবার পারফর্ম করা একটা বড় ব্যাপার।

টিমের ১৫ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে সবাই যদি পারফর্মার থাকে তবে যেকোনো সময় যে কাউকে কাজে লাগানো যায়। এটা টিমের জন্য অনেক ভালো।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়ার বড় একটি কারণ পঞ্চপাণ্ডব। বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা তো বটেই, বলা হচ্ছে এই মূহুর্তে বিশ্বের সবচে অভিজ্ঞ দলগুলোর একটি টাইগাররা। তবে সাবেক এই অধিনায়ক মনে করেন, পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন সৌম্য-সাইফুদ্দিন-মোসাদ্দেকরাই।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কতদূর যাবে? লক্ষ্যমাত্রায় সেমিফাইনাল রেখেছেন ক্রিকেটাররা সহ সবাই। বাস্তবতা কি বলে? আদৌ সেটি সম্ভব? নান্নু বলছেন, বাংলাদেশ হতে পারে শীর্ষ দলও।

তিনি আরও বলেন, আমাদের খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতার ঝুলি অনেক। এখানে অনেক সিনিয়র খেলোয়াড় আছেন। অন্যদিকে যারা ইয়াং রয়েছেন তারাও পারফর্মার। আমাদের এক থেকে চারের মধ্যে যাওয়ার টার্গেট রয়েছে। এটা করতে পারলে তার চাইতেও ভালো কিছু করে ফেরতে পারি।