খেলাধুলা

বিশ্বকাপে হার্টহিটার ব্যাটসম্যান সাব্বিরই হতে পারেন ম্যাচ উইনার!

বিশ্বকাপে হার্টহিটার ব্যাটসম্যান সাব্বিরই হতে পারেন ম্যাচ উইনার! ভিতরে ভালো খেলার জেদ আছে বলেই সাব্বির রহমান বাকিদের চেয়ে একদমই আলাদা। সমালোচনার জাল ছিঁড়ে বের হয়ে ফেব্রুয়ারিতে দলে ফিরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেলেন তিনি।

দেশের স্টাইলিস্ট ব্যাটসম্যানদের মধ্যে একজন হলেন সাব্বির। অথচ মাঠে মিটমিট করে জ্বলতে থাকা সাব্বিরের ক্যারিয়ারে অন্ধকার আর অসুন্দরের ছোঁয়া। দলের শৃঙ্খলা ভাঙ্গা, দর্শকের সঙ্গে বাজে আচরণের কারণে নিষেধাজ্ঞাসহ বিসিবির আর্থিক শাস্তি পেয়েছেন কয়েক দফা। মাস ছয়েক ছিলন জাতীয় দলের বাহিরে। তবে ঠিক সমযয়ে দলে ফিরেছেন বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতাতে। নিষেধাজ্ঞা থেকে দলে ফিরে সাব্বির বারবার বলেছেন, এটি তার ক্রিকেটীয় জীবনের নতুন অধ্যায় এবং নতুনভাবে শুরু।

২০১৪ সালে ২১ নভেম্বর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় সাব্বিরের। এরপর ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়। এছাড়া সবার আগে ২০১৪ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীলংকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় তার। টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের পর সাব্বিরকে ভাবা হয়েছিল বাংলাদেশের জন্য টি-টোয়েন্টির বড় আবিষ্কার। তবে তার সেই সম্ভাবনা ডানা মেলতে পারে নি।

৬১টি ওয়ানডে খেলে সাব্বির রান করছে ১২১৯। সেঞ্চুরি আছে একটিতে। আর গড় রান আছে প্রায় ২৬। এদিকে তার স্ট্রাইকরেট দলের অন্যতম সেরা ৯১.৫১। তবে বিশ্বকাপে স্ট্রাইকরেটটা আরও বেশী ভালো। বিশ্বকাপের মতো আসরে ৬ ম্যাচ খেলে রান করেছে ১৮২। সেখানে তার স্ট্রাইরেট ৯৮.৩৭। ২০১৫ সালেই নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলেছিলেন সাব্বির।

অধিনায়ক মাশরাফির দেওয়া সাত নম্বর পজিশনে চ্যালেঞ্জ নিয়ে নামছেন সাব্বির। যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইনফর্ম মোসাদ্দেকের সঙ্গে। দলের সেরা ফিল্ডারদের মধ্যে একজন মানসিক দৃঢ়তা বড় শক্তি সাব্বির। তাকে ব্যাটিংয়ের শেষদিকে পাওয়ার মাধ্যমে দল বড় সংগ্রহের সামর্থ্য রাখেন। অনেক সুযোগ পেয়েও যা পারেননি সাব্বির। সেটা বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখিয়ে পরিবর্তনের সুর তুলতে চান। আন্দ্রো রাসেল কিংবা হার্দিক পান্ডিয়া না হন সাব্বির সাব্বির রহমান হয়ে খেললেই উৎসব করবে বাংলাদেশ।