খেলাধুলা

 সাফ ফুটবলের ইতিহাসে ১৯৯৩ সালে থেকে ১১টি আসর হয়েছে

সাফ ফুটবলের ইতিহাসে ১৯৯৩ সালে থেকে ১১টি আসর হয়েছে। এবার নিয়ে ১২তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সাফ ফুটবলের শিরোপা লড়াইয়ের দৌড়ে আজ অবদি ফাইনালের টিকিট পায়নি পাকিস্তান। সেই পাক ফুটবল দলের বিপক্ষে আজ সন্ধ্যা ৭টায় মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। 

১১টি আসরে তিন বার ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ, যার মধ্যে এক বার চ্যাস্পিয়ন আর দুই বার রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকের তকমা বাদ দিলেও এমনিতেই বাংলাদেশ আজ ম্যাচে ফেভারিট। তারপরও পাকিস্তানকে হাল্কা ভাবে নিচ্ছে না বাংলাদেশ।

পাকদের বিপক্ষে মাঠে নামা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ দলের মিডফিল্ডার ইমন মাহমুদ বাবু বলেন, ‘সকালে সুইমিং সেশন ছিল। যারা ভুটান ম্যাচে খেলেছেন। যারা স্কোয়াডের বাইরে ছিল তারা বিকেলে জিম সেশন করেছে। বিকেলে অনুশীলন করার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। কোচ টার্গেট করেছে ম্যাচ বাই ম্যাচ। ভুটানের ম্যাচ শেষ। এখন আমাদের টার্গেট হচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তান বেশ ভালো দল। তারা ডিফেন্সিভ মুডে খেলে। ডিফেন্সের জায়গা ঠিক রেখে পরে কাউন্টার অ্যাটাকে যায়।

ফিজিক্যালি অনেক ভালো। পাকিস্তান কিন্তু আগের দল না। ইউরোপে খেলা বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছে এই দলে। ইংল্যান্ডের পাঞ্জাবের একটি দল আছে। সেই দলের অনেকেই এবার পাকিস্তান দলে খেলছে। ইউরোপের কন্ডিশনে খেলা আসা দলই বলা চলে এদের। পাকিস্তানের নাগরিকত্ব আছে। আমাদের গ্রুপ থেকে পাকিস্তান হচ্ছে সেরা দল।

ফিজিক্যালি অনেক স্ট্রং। ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে সবারই মনে মধ্যে একটা ক্ষোভ ছিল। কারণ এই ভুটানের জন্যই আমাদের অনেক কথা শুনতে হয়েছে। ফিফা-এএফসির ম্যাচ থেকে আমরা নির্বাসিত হয়েছি। দীর্ঘদিন ফুটবলের বাইরে ছিল। আমারও ব্যক্তিগত একটা ক্ষোভ ছিল।

কারণ ওই ম্যাচটি আমি খেলতে পারিনি। ম্যাচের আগেরদিন আমার মা মারা যায়। আমাকে ভুটান থেকে চলে আসতে হয়। এক ম্যাচ জিতেই আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নিষেধ করেছেন কোচ। সেভাবে তাই জয়ও উদযাপিত হয়নি। পরের ম্যাচে যদি খারাপ হয়। জয়টা পাওয়াতে সবাই খুশি। বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে দল।

আমি যে পজিশনে সব সময় খেলি এবার সেই পজিশনে খেলছি না। কোচ আমাকে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে খেলাচ্ছেন। ১০ নম্বরে পজিশনে খেলানো হচ্ছে। ক্লাবে ৮ ও ৭ নম্বরে খেলি। স্ট্রাইকারের পেছনেই আমাকে থাকতে হয়। দুই তিন বছর ধরে এই পজিশনে খেলি নাই। ক্লাবে খেলেছি। হোল্ডিং মিডফিল্ডেও খেলায়। ৬ ও ৮ নম্বর পজিশনে। এই কোচের ফরম্যাট ভিন্ন। রক্ষণ গোছানো রেখে এরপর আক্রমণের পসরা সাজান। গোল খাব না। কিন্তু বল পাইলে দ্রুত অ্যাটাকে যাব।

আমার থ্রু পাসে গোল হইছে। তবে সুফিলের মুভমেন্ট দারুণ ছিল। যে স্ট্রাইকিং পজিশনে খেলে যে যদি আমাকে জায়গা দেখায় তাহলে আমি বল যোগাতে বাধ্য থাকব। সুফিল সেই কাজটাই করেছে। আমাকে জায়গা দিয়েছে। আমি তাকে বল পাস দিয়েছি। তার গোল করার একটা ক্ষুধা আছে। সে একজন ভালোমানের স্ট্রাইকার।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy