খেলাধুলা

দুবাই ছাড়ার আগে দলের উদ্দেশ্য যা বলে গেলেন তামিম

স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথমে তামিমের ইনজুরির বিষয়টা লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল টিম ম্যানেজম্যান্ট। দলের বৃহত্তর স্বার্থেই এমনটা ভাবা হয়েছিল । কারণ তামিমের অনুপুস্থিতি যদি বিপক্ষে দল আগেই জেনে যায় সেটা হয়তো টাইগারদের জন্য বিপদই বটে।

যদিও আরো আগেই সব উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার পর কাল অবশেষে খালেদ মাহমুদ আনুষ্ঠানিকভাবে বললেন এই কথা, ‘তামিমকে চার সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে।’ যে কারণে তামিমও আর দলের সঙ্গে থাকছেন না। শুরুতে ভেবেছিলেন স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে এসে কয়েকটি দিন দুবাইতেই পার করে যাবেন। তবে এখন সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসে আজই দেশে ফিরে যাচ্ছেন চোটগ্রস্ত ওপেনার।

যাওয়ার আগে শ্রীলঙ্কা ম্যাচে ভাঙা কবজি নিয়ে এক হাতে ব্যাটিং করতে নামার বীরত্বে দলের জন্য দিয়ে যাচ্ছেন নতুন এক বার্তাও। যে বার্তা বিশেষ করে দলের তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য ভীষণ অনুপ্রেরণারও। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এমন নজির অসংখ্য যে ছোটখাটো চোটের কথা বলে ম্যাচ খেলতে অনীহা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

আবার গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে দেশের ইতিহাসের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থেকেও ইনজুরির কথা বলে সরে পড়ার ঘটনা আছে এক সাবেক ফাস্ট বোলারের। সেই সময় থেকেই ক্রিকেট খেলা বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদও নিশ্চিতভাবেই এ রকম অসংখ্য ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীও।

এই যুগে এসে ফেলে আসা দিনগুলো ভোলার মতোই উদাহরণ তাঁর সামনে। যেটি দেশে ফিরে যাওয়ার আগে রেখে গেলেন তামিম। খেলারই কথা নয় যেখানে, সেখানে এক হাতে নেমে যাওয়ার বীরত্ব দলের তরুণদের মাঝে বিরাট প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করেন মাহমুদ, ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো দেশের জন্য খেলা। খুব ভালো লেগেছে, যেভাবে তামিম দেশের জন্য খেলতে নেমেছিল। প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্যই এটি একটি বিশাল বার্তা। আসলে আপনি যখন খেলবেন, তখন দেশের চেয়ে বড় কিছু নেই। আমার মনে হয় আমাদের তরুণ ক্রিকেটাররা এটা অনুসরণ করবে। চোট-আঘাতের ভয় জয় করে খেলার সাহসও পাবে।’ নিজের বেদনার মাঝেও সেই সাহসই ছড়িয়ে দিয়ে গেলেন তামিম।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy