জাতীয়

বিএনপি গুজব ও সন্ত্রাস উৎপাদনের কারখানা: নেওয়াজ আহম্মেদ

বিএনপি গুজব ও সন্ত্রাস উৎপাদনের কারখানা: নেওয়াজ আহম্মেদ

বাংলাদেশ আওয়ামী প্রচার লীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নেওয়াজ আহম্মেদ বলেছেন, ‘বিএনপি সাম্প্রদায়িক জঙ্গিচক্র হচ্ছে গুজব উৎপাদন ও পুনঃউৎপাদনের সংগঠিত কারখানা। এদের কালো থাবা থেকে ফেসবুক-সামাজিক মাধ্যমকে রক্ষা করতেই হবে।’

গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রচারলীগের নিজ কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী প্রচারলীগ আয়োজিত ‘গুজব: গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রচারলীগ চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই মুহূর্তে খালেদা জিয়ার বিচারের আদালত নিয়েও গুজব-মিথ্যাচার চলছে। আদালত কোথায় বসল সেটা বিচার্য নয়, আদালত প্রকাশ্য কিনা সেটাই বিচার্য। নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়েও সংশয় তৈরির জন্য গুজব-মিথ্যাচার চালাচ্ছে দেশবিরোধী গোষ্ঠী। এরা মানুষের শত্রু, দেশের শত্রু, সমাজের শত্রু।’

শুধু এই নয় বিএনপি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন, এটি কানাডার আদালতে প্রমানিত হয়েছে, বিএনপি সবসময় সন্ত্রাসী তৈরি করে।

‘এই গুজব, মিথ্যাচার, উসকানি, তথ্যবিকৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে উল্লেখ করে নেওয়াজ আহম্মেদ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর একটি জাতীয় প্রচারাভিযান এবং সংবাদপত্র, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সব টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ সব বেতারে এবং অনলাইন গণমাধ্যমগুলোতে একযোগে গুজব, মিথ্যাচার, উসকানি ও তথ্যবিকৃতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে।’

প্রচারলীগ চেয়ারম্যান নেওয়াজ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ বিরোধীচক্রের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে মিথ্যাচার, তথ্যবিকৃতি, তথ্য ধামাচাপা দেয়া, চরিত্রহনন। নামে-বেনামে, দেশ থেকে বা বিদেশ থেকে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এই অপকর্মে লিপ্ত। এরা আসলে অপরাধী বলেই তারা নিজ নাম গোপন রেখে ভিন্ন নামে মিথ্যা তথ্য ছড়ায়। এ অপপ্রচার থেকে রেহাই পেতে ‘ডিজিটাল লিটারেসি’র বিকল্প নেই। অর্থাৎ জনগণকে ডিজিটাল শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।’

গুজব-মিথ্যাচারের হাত থেকে মানুষ ও সামাজিক মাধ্যমগুলোকে রক্ষার জন্য দুটো ছাঁকনি বসানো প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রচারলীগ চেয়ারম্যান বলেন, একটি প্রযুক্তিগত ছাঁকনি, অপরটি মনের ছাঁকনি। অপরাধী শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত ছাঁকনি, আর সামাজিক মাধ্যমে যা দেখা যাবে, যাচাই না করে তাই বিশ্বাস করে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্যই মনের ছাঁকনি। এই ছাঁকনি দিয়ে আগে যাচাই, তারপরে বিশ্বাস।

‘ছাঁকনি বসাতে গেলেই দেশ ও সমাজবিরোধী গোষ্ঠী ‘গণতন্ত্র গেল, গণতন্ত্র গেল’ বলে চিৎকার শুরু করে’ উল্লেখ করে নেওয়াজ আহম্মেদ বলেন, ‘এই চক্র গুজব রটনার বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে না, বরং গুজব রটনাকারীদের দমন করতে গেলে ‘গণতন্ত্র গেল, গণতন্ত্র গেল’ বলে রটনাকারীদেরই প্রশ্রয় দেয়। এতে গণতন্ত্র রক্ষা হয় না, বরং অপরাধীরাই প্রশ্রয় পায়। মুক্তমনা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান নয়, বরং যাদের জন্য মুক্তমনা ব্যক্তিবর্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের কঠোর অবস্থান নিতে হবে।’

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy