খেলাধুলা

ভারতের পর এশিযার সেরা দল বাংলাদেশ : সঞ্জয় মাঞ্জরেকার

চারজন বোলার নিয়ে গতকাল পাকিস্তানের বিপক্ষে বাজিমাত করেন মাশরাফি বিন মুর্তজার দল বাংলাদেশ। দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার তামিম ইকবাল এবং সাকিব আল হাসানকে ছাড়া অঘোষিত সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়লাভ করে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে মুশফিক মিঠুনের অনবদ্য জুটিতে ২৪৪ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মুস্তাফিজুর রহমানের ৪ উইকেটে সাকিবকে ছাড়াই এই দিন জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ দল।

এদিন বাংলাদেশ একজন নিয়মিত বোলারকে না নিয়েই মাঠে নামে। তবে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার বিচক্ষণ নেতৃত্বে ম্যাচে এর কোনো বাজে প্রভাব পড়েনি। তিনি নিজেসহ বোলিং করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকার। মজার ব্যাপার কোনো বোলারের ইকোনোমি ৫-এর ঘরে যায়নি।

৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন মোস্তাফিজ। আর ১০ ওভারে মাত্র ২৮ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন মিরাজ। রুবেল, মাহমুদউল্লাহ ও সৌম্য একটি করে উইকেট লাভ করেন। মাশরাফি উইকেট না পেলেও ইকোনোমি ঠিক রাখেন।

ম্যাচ শেষে পর্যালোচনায় বসে ক্রিকইনফো টিম। যেখানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে ছিলেন জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার ও সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। এ সময় তিনি একেধারে বাংলাদেশি বোলারদের প্রশংসা করে গেছেন।

মাঞ্জরেকার শুরুতেই মুশফিকের অন্যবদ্য ব্যাটিংয়ের তুলনা টেনে জানান, তার কারণেই বাংলাদেশ ভালো সংগ্রহ পেয়েছে। পরে বোলারদের সম্পর্কে বলেন, ‘দেখুন তাদের কতগুলো কোয়ালিটি বোলার। মেহেদি হাসান দুর্দান্ত অফস্পিন, রুবেল সে হয়তো সবার নজর কাড়তে পারেনি তবে শোয়েব মালিকের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের উইকেট তুলে নিয়েছে। সৌম্য সরকার বাউন্সি বোলিং করে উইকেট পেয়েছে। মোস্তাফিজুর শুরুতেই দুটি উইকেট তুলে নিয়েছে। বিশেষ করে বাবর আজম ও সরফরাজ আহমেদের মতো উইকেটগুলি।’

‘তাদের বোলিং অ্যাটাক দেখুন। দলে ছিল না সাকিব আল হাসান। কিন্তু মাশরাফি দারুণভাবে সব গুছিয়ে নিয়েছে। মাহমুদউল্লাহ’র অসাধারণ টুর্নামেন্ট কাটছে, সে ভালো বলও করছে। অবশ্যই বাংলাদেশকে ক্রেডিট দিতে হবে। তারা এমন বোলিং অ্যাটাক দিয়ে পাকিস্তানকে আটকে দিয়েছে।’-যোগ করেন মাঞ্জরেকার।

এশিয়ান ক্রিকেটের মোড় নতুন দিকে ঘুরেছে উল্লেখ করে সঞ্জয় মাঞ্জরেকার বলেন, শ্রীলঙ্কা বাদ পড়েছে। পাকিস্তান বিদায় নিয়েছে। আফগানিস্তান নিজেদের প্রায় সবগুলো ম্যাচই জিতে নিয়েছিল। শেষ দুই দল হিসেবে ফাইনালে খেলছে বাংলাদেশ-ভারত। সুতরাং আমার বলতে পারি এশিয়ান ক্রিকেটের নতুন রূপ রেখা তৈরি হয়ে গেছে।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy