খেলাধুলা

এইমাত্র পাওয়াঃ লিটনের সাথে আজ ওপেনিং এ সুযোগ পেতে যাচ্ছেন যিনি

সাময়িক দায়িত্ব শেষ। ইমরুল কায়েস এবার ফিরতে পারেন মূল দায়িত্বে। রশিদ খানকে সামলানোর চ্যালেঞ্জে জিতেছেন। এবার এশিয়া কাপের ফাইনালে বাঁহাতি ওপেনারকে দেখা যেতে পারে ওপেনিংয়ে।ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে বাংলাদেশ একাদশ সাজাতে পারে পাঁচ বিশেষজ্ঞ বোলার নিয়ে। নাজমুল ইসলাম অপুর ফেরা একরকম নিশ্চিত।

ওপেনারদের টানা ব্যর্থতার কারণেই হুট করে উড়িয়ে আনা হয়েছিল ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকারকে। কিন্তু দুবাইয়ে আসার পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ইমরুলকে দেওয়া হয় রশিদ খানকে সামলানোর দায়িত্ব। প্রথমবারের মতো ইমরুল ব্যাট করেন ছয়ে। দারুণ ইনিংস খেলে ভূমিকা রাখেন দলের জয়ে।

পরের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষেও তাকে ছয়ে খেলানো হয় শাদাব খানের লেগ স্পিন সামলাতে। কিন্তু আউট হন শাদাবের বলেই। এই ম্যাচে ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়ে শূন্য রানে ফেরেন সৌম্য সরকার। ফাইনালে আবার তাই পরিবর্তন আসছে ওপেনিংয়ে। লিটন দাসের সঙ্গে ইনিংস শুরু করার সম্ভাবনা বেশি ইমরুলের।

ওপেনিংয়ে জায়গা হারালেও সম্ভবত একাদশে টিকে যাচ্ছেন সৌম্য। পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ বোলিং-ফিল্ডিং করেছিলেন সৌম্য। অলরাউন্ডার হিসেবে ধরে নিয়ে তাকে খেলানো হতে পারে সাতে।পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সাকিব আল হাসান ছিটকে যাওয়ার পর বিপাকে পড়েছিল দল। এই মানের অলরাউন্ডারের বিকল্প কোথায়! শেষ পর্যন্ত ব্যাটিংয়ে শক্তি ধরে রাখতে নেওয়া হয় মুমিনুল হককে। একাদশ সাজানো হয় চার জন বিশেষজ্ঞ বোলারের ঝুঁকি নিয়ে।

সেদিন সৌম্য ও মাহমুদউল্লাহ দারুণ কাজ চালিয়ে নিয়েছেন বোলিংয়ে। তবে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপের সামনে চার বোলারের ঝুঁকিতে যেতে চায় না দল। গত ম্যাচে ব্যর্থ মুমিনুল তাই জায়গা হারাচ্ছেন একাদশে। ফিরছেন অপু। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে অপু ৮ ওভারে রান দিয়েছিলেন কেবল ২৯।

ইমরুল ও লিটনকে দিয়ে ওপেনিং ও সাতে সৌম্যকে খেলানোর ভাবনা ঠিক থাকলে তিন নম্বর পজিশনে কোনো চমক উপহার দিতে পারে দল। এই টুর্নামেন্টে বেশির ভাগ চমকপ্রদ সিদ্ধান্তগুলোই কাজে লেগে গেছে। শেষ ম্যাচেও তেমন কিছুর আশায় দল।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy