খেলাধুলা

ফেসবুক পোস্ট করে এই আনন্দের খবর সবাইকে জানিয়েছেন

স্পোর্টস ডেস্ক: একদিন আগে ফুটফুটে এক পুত্রসন্তানের বাবা হয়েছেন স্পিডস্টার তাসকিন আহমেদ। স্ত্রী এবং নবজাতক সন্তানের ছবি সোশ্যাল সাইট ফেসবুক পোস্ট করে এই আনন্দের খবর সবাইকে জানিয়েছেন। এই পোস্টটাই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল তাসকিন পরিবারের জন্য! একের পর এক নোংরা কমেন্টে ভরে উঠল তার কমেন্টবক্স! শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি ফেসবুক ইউজারদের এসব নোংরামির জবাব না দিয়ে থাকতে থাকতে পারলেন না ইনজুরি আক্রন্ত এই পেসার।

বাংলাদেশের ফেসবুক ইউজারদের একটি বড় অংশ অশিক্ষিত কিংবা তথাকথিত শিক্ষিত। এর আগে এদের বিকৃত মানসিকতার শিকার হয়েছেন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, নাসির হোসেনরা। ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি তো একবার তার ফেসবুক আইডি বাংলাদেশের জন্য ‘রেস্ট্রিকটেড’ করে দিয়েছিলেন! এবার এদের শিকার তাসকিন। তাদের সন্তানের জন্ম ‘এত তাড়াতাড়ি’ কীভাবে হলো; সেটা নিয়ে বিকৃত মানুষগুলোর ‘গবেষণা’র শেষ নেই!

শেষ পর্যন্ত নিজেকে সামলাতে না পেরে কমেন্ট বক্সে তাসকিন লিখলেন, ‘সবার উদ্দেশ্যে একটা কথা বলি, কেউ কিছু মনে নিয়েন না। আমার বিয়ে হইছে ১১ মাস। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকে এসেই বিয়ে করলাম ৩১ অক্টোবর এবং বিয়ের বয়স হলো ১১ মাস। সাউথ আফ্রিকা ছিলাম ৪৮ দিন। সব মিলিয়ে হল ১২ মাস ১৮ দিন। আমার পুত্র সন্তান হইলো ৯ মাস ২৭ দিনে..। যদি বিয়ের আগে আমার স্ত্রী প্রেগন্যান্ট হইতো তাহলে আমার বাচ্চা বিয়ের ৬ মাস এর মধ্যেই দুনিয়াতে থাকত। যাই হোক যাদের ভুল ধারণা ছিল আমাদের প্রতি তাদের জন্যে এই মেসেজটি…। ধন্যবাদ।’

মুহুর্তেই তাসকিনের মন্তব্যের স্ক্রিনশট সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হয়ে গেছে। সচেতন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা বিকৃত মনস্ক মানুষগুলোকে ধিক্কার জানাচ্ছেন। যেমন সুপ্ত নামের একজন লিখেছেন, ‘ভায়া খুব খারাপ লাগছে….। একজন পিতা তার সন্তান জন্মের সার্টিফিকেট দিতে হয়। এটা পুরো জাতির লজ্জা। আল্লাহর কাছে দোয়া করি আপনার ছেলে মানে আমাদের ভাতিজা সুস্থ সুন্দর থাকুক।’

শাহাদত হোসাইন লিখেছেন, ‘মানুষের মধ্যে থেকেই বেড়িয়ে এলো কিছু মুখোশধারী জানোয়ার, যাদের হিংস্র থাবা থেকে মুক্তি পেল না আপনার সদ্য জন্ম হওয়া ছেলেটিও। সরি ভাই, আমাদের মাফ করবেন। আমরা লজ্জিত যে আমরাই সেই বাঙ্গালি জাতি!’

ইরফান উদ্দিন লিখেছেন, ‘অভিনন্দন ভাই আপনাকে আর ভাবিকে । খারাপ মানুষের কথায় কান দিবেননা। সামনে এগিয়ে যান। জাতীয় দলে তাড়াতাড়ি ব্যাক করেন সেই আশায় রইলাম। আপনার বাচ্চাটা বেশি কিউট।’

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy