খেলাধুলা

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে আবার উইকেটকিপিং ফিরে পাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম

আবারও টেস্ট ক্রিকেটে উইকেট কিপিং ফিরে পাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম।জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উইকেটের পিছনে আবারো দেখা যাবে মুশফিকুর রহিমকে। উইকেট কিপিং না মুশফিকুর রহিম বলেন “দল বলেছিল বলে কিপিং ছেড়েছিলাম, এখন দলই বলেছে কিপিং করতে। দেখা যাক

অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ও মিডল অর্ডারের বড় ভরসা তিনি, দল তার কাছে চায় বড় ইনিংস। লম্বা সময় কিপিং করে ব্যাটিংয়ে লম্বা ইনিংস খেলা কঠিন। ব্যাটিং ও কিপিংয়ের ফাঁকে বিশ্রামটুকুর জন্যই টেস্টে তাকে ব্যাট করতে হচ্ছিল ৬ নম্বরে। তাতে তার ব্যাটিং সামর্থ্যের সেরাটা তিনি নিজে ও দল পাচ্ছে কিনা,

এটি ছিল সবসময়ের প্রশ্ন। তবে মুশফিক বরাবরই জানিয়েছেন, কিপিং তিনি চালিয়ে যেতে চান, একসঙ্গে দুটি ভার বইতে আপত্তি নেই। অবশেষে গত বছর তাকে কিপিংয়ের ভার থেকে মুক্তি দেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্তটি নেয় দল।

সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে এই সিরিজের আগ পর্যন্ত ৬ টেস্টে মুশফিক খেলেছেন কেবল ব্যাটসম্যান হিসেবেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেকনিক্যাল কারণে ৬ নম্বরে খেলা ছাড়া অন্য টেস্টগুলোয় ব্যাট করেছেন চার নম্বরে।

টেস্টে কিপিং ছাড়ার পর নতুন উচ্চতায় উঠেছিল কুমার সাঙ্গাকারা ও ব্রেন্ডন ম্যাককালামের ব্যাটিং ক্যারিয়ার। এ রকম উদাহরণ আছে আরও। মুশফিকের ক্ষেত্রেও ভাবনাটি ছিল এমনিই। বিস্ময়করভাবে হয়েছে উল্টো। কিপিং ভার কমানোর পর কমে গেল তার ব্যাটের ধার! কিপিং না করা এই টানা এই ৬ টেস্টের ১২ ইনিংসে ব্যাটসম্যান মুশফিককে পাওয়াই যায়নি সেভাবে। ফিফটি মোটে একটি!

টেস্ট ক্যারিয়ারের সামগ্রিক চিত্রও একইরকম অদ্ভুত। কিপিং করা টেস্টে তার ব্যাটিং গড় ৩৬.৬০, কিপিংয়ের চাপমুক্ত থেকে ব্যাটিং গড় ২৪.৪৭।

মুশফিকুর রহিম আরো বলেন, “আমার কোনোটাতেই আপত্তি নেই। তবে আমার ভালোর জন্য কিপিং ছাড়ার কথা বলেছেন অনেকে। কিন্তু আমি নিজে তো জানি, কোনটায় আমার আত্মবিশ্বাস বেশি থাকে!”

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy