খেলাধুলা

আগেও জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন তার আন্ডার নাইন্টিনের সতীর্থরা মেহেদি মিরাজ, মোস্তাফিজ, আবু হায়দার রনিরা।

স্পোর্টস ডেস্ক: উইন্ডিজের বিপক্ষে অনেকটা হুট করেই জাতীয় দলে ডাক পান সাদমান ইসলাম। তবে তার আগেও জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন তার আন্ডার নাইন্টিনের সতীর্থরা মেহেদি মিরাজ, মোস্তাফিজ, আবু হায়দার রনিরা।

অনূর্ধ্ব ১৯ দলেই নয়, এখন পর্যন্ত চারটি এইচপি প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন তিনি। তবে এরপরেও ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি তাঁর। শেষ পর্যন্ত ঘরোয়া ক্রিকেটকেই বেঁছে নিয়েছিলেন জাতীয় দলের ‘পাসপোর্ট’ হিসেবে। সেই লক্ষ্যে যে তিনি ভালোভাবেই সফল হয়েছেন তা বলাই বাহুল্য।

সর্বশেষ জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) আসরে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন ঢাকা মেট্রোর হয়ে খেলা সাদমান। ৬৪.৮০ গড়ে ৬৪৮ রান সংগ্রহ করা এই ব্যাটসম্যানের প্রতি তাই স্বাভাবিকভাবেই সুনজর ছিল নির্বাচকদের।

উইন্ডিজদের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সেকারণেই তাঁকে পরীক্ষা করে নিতে চেয়েছিলেন তাঁরা। সেই পরীক্ষাতেও দারুণভাবে পাস করে গিয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সাদমান। ব্যাট হাতে গ্যাব্রিয়েল, রোচ এবং পলদের মতো পেসারদের সামলে ৭৩ রানের ঝলমলে একটি ইনিংস খেলেন তিনি। এরপরেই পেয়ে গেলেন জাতীয় দলের টিকিট। তরুণ সাদমানের মতে এই সাফল্যের পেছনে সবথেকে বেশি অগ্রজ ভূমিকা পালন করেছে তাঁর অধ্যবসায় এবং আত্মপ্রত্যয়ের মানসিকতা। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সেই বক্তব্যই ফুটে উঠেছে তাঁর কণ্ঠে। বলেছেন,

‘লক্ষ্য ছিল যে যেখানেই খেলবো সেখানেই পারফর্ম করতে থাকব। কোন একদিন সুযোগ আসবে। আমি যদি পারফর্ম করতে থাকি তাহলে অবশ্যই কোন একদিন সুযোগ আসবে।’

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy