খেলাধুলা

যে রেকর্ডে বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানেই বাংলাদেশের নাম

ওয়েস্ট উইন্ডিজের পেসাররা যদি একটু খারাপ বোলিং করতেন তাহলেই বিশ্ব রেকর্ডটা হয়েই যেত! চট্টগ্রামে আড়াই দিনে শেষ হওয়া টেস্টে ৪০ উইকেটের মধ্যে পেসারদের শিকার মাত্র ৬ উইকেট। এই সংখ্যাটা ১ হলে আর বাকি ৫ উইকেট স্পিনাররা নিলেই বিশ্ব রেকর্ডটা হয়ে যায়।

গত ১৪ নভেম্বর ক্যান্ডি টেস্টে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড। আর সেই উইকেটে দুই দলের স্পিনাররা মিলে নিয়েছেন ৩৮ উইকেট। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে লাকমলের ১ উইকেট আর শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে করুণারত্নে রান আউট না হলে স্পিনাররা কিন্তু ‘চল্লিশে চল্লিশ’-ই পেতেন।

মানে, দুই দলের মোট ৪০ উইকেটের সবগুলোই পেতেন স্পিনাররা! লাকমল আর করুণারত্নে তা ভেস্তে দিলেও ঠেকানো যায়নি বিশ্ব রেকর্ড। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এক ম্যাচে স্পিনারদের সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডটি ক্যান্ডিতেই গড়েছেন পেরেরা-রশিদরা। সেই টেস্টে স্পিনাররা নিয়েছেন মোট ৩৮ উইকেট।

চট্টগ্রাম টেস্টে দুই দলের স্পিনাররা নিয়েছেন মোট ৩৪ উইকেট। অর্থাৎ, স্পিনাররা আর ৫টি উইকেট নিলেই অল্প কদিনের ব্যবধানে রেকর্ডটা লেখানো যেত নতুন করে। সে ক্ষেত্রে পেসারদের ভাগে পড়ত ১ উইকেট। রান আউট কিংবা ক্রিকেটের অন্যান্য আউট ঊহ্য রেখেই এই আনুমানিক অঙ্ক।

সে যাই হোক স্পিনারদের ৩৪ উইকেট নেওয়ার এই টেস্ট বিশ্ব রেকর্ড গড়তে না পারলেও ইতিহাসের পাতায় ওপরের দিকেই নাম লিখিয়েছে। এক টেস্টে স্পিনারদের সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার খাতায় এই টেস্ট যুগ্মভাবে চতুর্থ—২০১৫ সালে মোহালিতে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্টে ৩৪ উইকেট নিয়েছিলেন দুই দলের স্পিনাররা।

বাকি দুটি নজিরের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নাম। সেটি আবার ঘরের মাঠেই। গত বছর ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে ৩৪ উইকেট নিয়েছিল স্পিনাররা। আর শেষ নজির হয়ে রইল চট্টগ্রাম টেস্ট।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy