খেলাধুলা

আজকে ফাইনাল ম্যাচে নামার আগে মাশরাফিকে ফোন করে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে আরেকটি ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ দল। বারবার ফাইনাল ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ দল। তাই বাংলাদেশ দলকে সাহস যোগাতে আজ বৃহস্পতিবার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা কাছে ফোন দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। মাশরাফি জানালেন, প্রধানমন্ত্রী কখনোই ট্রফি জয়ের কথা বলেন না।

প্রথম রাউন্ডের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে। তবে গতকাল বাংলাদেশ তাদের একাদশে চালিছে বেশ পরীক্ষা নিরীক্ষা। একাদশে ছিল ৪ পরিবর্তন। মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, সৌম্য সরকার ও মিঠুন ছিলেন দলের বাহিরে।

তাদের পরিবর্তে দলে জায়গা পায় রুবেল হোসেন, সাইফুদ্দিন, লিটন দাস ও মোসাদ্দেক। পরিবর্তি চার জনের মধ্যে সাইফুদ্দিন ও লিটনের পারফর্ম্যান্স ছিল অসাধারান।

ফাইনাল ম্যাচে রুবেলে পরিবর্তে মুস্তাফিজ ও মোসাদ্দেকের পরবর্তে মিঠুন দলে আসবে এইটা চূড়ান্ত। মিঠুন কে দলে প্রয়োজন মিডেল অর্ডার শক্ত করার জন্য। সৌম্য সরকার একাদশে আসবে লিটনের পরিবর্তে।

তবে সাকিবের এই চোট বাংলাদেশ দল ও সমর্থকদের কপালে এনে দিয়েছে দুশ্চিন্তার ভাঁজ। ধারণা করা হচ্ছে, তার এই চোটটি সাইড স্ট্রেইন। সাইড স্ট্রেইন হয়ে থাকলে এই চোট সেরে ওঠার জন্য খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। তবে টিম ম্যানেজমেন্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগ পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না কিছুই।

যদিও সাকিবের এই চোটের ধরন ‘গুরুতর’ নয়। টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাকিবের এই চোট গুরুতর নয় বলেই প্রত্যাশা করছেন ফিজিও ও টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সাকিবের চোট নিরীক্ষার পরই বোঝা যাবে, পুরো ফিট হয়ে উঠতে টাইগার সহ-অধিনায়কের কতটুকু সময় লাগবে। তার আগ পর্যন্ত সাকিবকে ফাইনাল ম্যাচে পাওয়া নিয়ে শঙ্কা একটু হলেও থাকছে।

“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দলকে শুভকামনা জানিয়েছেন। বলেছেন, টেনশন না করে মন খুলে খেলতে। চ্যাম্পিয়ন হতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। অনেক সময়ই আমাদেরকে ফোন করে উনি শুভেচ্ছা জানান। বরাবরই এরকমই বলেন। কখনোই বলেন না যে এবার চ্যাম্পিয়ন হতেই হবে।”

“আমি যেখানেই যাই, এমনকি আমার পরিবারেও, ট্রফি জয়ের কথা বলেন সবাই। কিন্তু বাংলাদেশে মনে হয় প্রধানমন্ত্রীই একজন, কখনোই এই কথা বলেননি। গত এশিয়া কাপের ফাইনালের আগের দিনও বলেছিলেন, ‘শোনো, মানুষজন সবাই তো এত বোঝে না, আমিও খেলা তত বুঝি না। কিন্তু জানি যে ফাইনালে ওঠাই অনেক বড়। জিততেই হবে, এমন কথা নেই। তোমরা চেষ্টা করলেই আমরা খুশি।’ প্রধানমন্ত্রী যখন এরকম করে ভাবেন, বাড়তি প্রেরণা অবশ্যই জোগায়।”