20.8 C
New York
September 30, 2020
জাতীয়

অর্থনীতির চাকা সচল করতে চান প্রধানমন্ত্রী

তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউন শেষে কি বাড়বে লকডাউনের মেয়াদ? সোমবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ৬ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকে এ নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না-হলেও কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

১৭ মে, তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউন শেষে কি ফের বাড়বে লকডাউনের মেয়াদ? সোমবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ৬ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকে এ নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না-হলেও কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

টানা সাত সপ্তাহ লকডাউন চলার পরে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির বিচারেই যে অর্থনীতির চাকা সচল করা জরুরি, তা মেনে নিয়েছেন তিনি৷ সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘ধীরে ধীরে দেশের বেশ কয়েকটি প্রান্তে অর্থনৈতিক গতিবিধি আবার শুরু হয়েছে৷ আগামী দিনে এই প্রক্রিয়া আরও জোরদার হবে৷ আমাদের সবাইকে বুঝতে হবে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই এখন আরও বেশি ফোকাসড৷ সামনের রাস্তায় এগোনোর সময়ে সতর্ক থাকতে হবে, দেখতে হবে যাতে সংক্রমণ আরও বেশি ছড়িয়ে না-পড়ে৷ গ্রামকে বাঁচাতে হবে সংক্রমণের হাত থেকে৷ এটাই আমাদের সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ৷ সবাই যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে৷ দো গজ কি দূরী বহাল রাখতে হবে সর্বদা৷’ প্রধানমন্ত্রীর বার্তায় স্পষ্ট, নতুন ধরনের জীবনযাত্রার জন্য তৈরি থাকতে হবে দেশকে। তার রূপরেখাও ব্যাখ্যা করেছেন মোদী।

তাঁর কথায়, ‘জান সে লেকর জগ তক-এর উপর ভিত্তি করে হবে নতুন জীবনযাত্রা। শুধু নিজেদের কথা ভাবলে হবে না, ভাবতে হবে মানবতার কথা। নতুন বাস্তবতার জন্য প্রস্তুত হতে হবে আমাদের সবাইকে।’ কিন্তু কেন্দ্র যে ভাবে লকডাউন কার্যকর করতে চাইছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন, ‘যখন কেন্দ্র সবকিছুই এক রকম চালু করে দিচ্ছে, স্থলবন্দর খুলে দিয়েছে, রেল ও বিমান পরিষেবা চালু করছে, তখন আবার লকডাউন চালিয়ে যাওয়ার কী অর্থ? একদিকে লকডাউন নিয়ে নির্দেশিকা জারি হচ্ছে, অন্যদিকে যে ভাবে সবকিছুকে এক-এক করে ছাড় দেওয়া হচ্ছে— এই পরস্পরবিরোধী পদক্ষেপের দিকেই আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছি।’ সূত্রের খবর, এই বৈঠকে লকডাউন পুরোপুরি প্রত্যাহারের কথা বলেনি কোনও রাজ্যই৷ উল্টে বেশ কয়েকটি রাজ্য দাবি জানিয়েছে, নিদেনপক্ষে ৩১ মে পর্যন্ত বহাল রাখা হোক লকডাউনের মেয়াদ, বর্তমান কড়াকড়ি ও শিল্প ক্ষেত্রের সামান্য ছাড়-সহ৷ এই রাজ্যগুলির তালিকায় আছে বিহার, তেলঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও পাঞ্জাব৷ আবার বেশ কয়েকটি রাজ্যের দাবি, লকডাউন বহাল রাখা হবে কি না, হলেও কোন কোন অঞ্চলে তা স্থির করার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হোক রাজ্যের হাতেই৷ এই রাজ্যগুলির মধ্যে আছে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালা৷ এই প্রসঙ্গেই মমতার পরামর্শ, ‘বাস্তব পরিস্থিতি, সামর্থ্য অনুযায়ী কী কী পরিষেবায় ছাড় দেওয়া যাবে, রাজ্যকেই সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া হোক।’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মমতা বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই ভুটান ও বাংলাদেশে পণ্য পরিবহণে অনুমতি দিয়েছি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ট্রেনে পণ্য পরিবহণ করা যেতে পারে।

Related posts

আজ রোববার-বিশ্ব মা দিবস

জেলে ফুরফুরে মেজাজে ওসি প্রদীপ!

Shohag

১১ জুন হতে পারে বাজেট ঘোষণা

Shohag