19.7 C
New York
May 24, 2020
বাংলাদেশ

বেকারদের ঋণের জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংক পাচ্ছে ২০০০ কোটি টাকা

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে যেসব বেকার যুবকদের ব্যবসার জন্য ঋণ সুবিধা দিতে রাষ্ট্রায়ত্ব কর্মসংস্থান ব্যাংকে আরো বিশেষ ২০০০ কোটি টাকা বিশেষ আমানত দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার সারাদেশের করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ কর্মহীন পরিবারের মাঝে এককালীন আড়াই হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণের উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি যখন প্রথমবার সরকারে আসি, তখন আমাদের যুবক শ্রেণির যেন বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে না হয়, সেজন্য একটা বিশেষ ব্যাংক করে দিয়েছিলাম; কর্মসংস্থান ব্যাংক। সেটার কার্যক্রম এখনও আছে, তা হল বিনা জামানতে একজন যুবক- তিনি শিক্ষিতই হোন, আর অশিক্ষিত হোন; বেকার হলেই জামানত ছাড়াই স্বল্পসুদে ২ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবেন। এই ঋণ নিয়ে নিজেরা ব্যবসা করতে পারেন কিংবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে যৌথভাবে ব্যবসাবাণিজ্য করতে পারবেন। সেই সুযোগ সৃষ্টির জন্য আমি কর্মসংস্থান ব্যাংক সৃষ্টি করেছি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এই ব্যা্ংকের ঋণ আরো বৃদ্ধি করার জন্য সরকার ২০০০ কোটি টাকা বিশেষ আমানত দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের যুবক শ্রেণি বেকার হয়ে যাতে ঘুরে না বেড়াতে হয়। তারা যেন ঋণ নিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারে।’

এসময় প্রবাসীদের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের যারা প্রবাসী রয়েছেন, তারাই কিন্তু আমাদের রেমিট্যান্স পাঠান। তারা যেন জমিজমা ও ঘরবাড়ি বিক্রি না করে ঋণ নিয়ে বাইরে যেতে পারেন সেজন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নামে আরেকটি ব্যাংক আমি প্রতিষ্ঠা করি। সেই ব্যাংকেও আমরা আরও টাকা দিবো। এর আগে ৪০০ কোটি টাকা দিয়েছিলাম, আরও অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা দিবো।

এর কারণ ব্যাখ্যায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি যে এখন প্রবাসে কাজের পরিধিটা সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। সেখানে বহু মানুষ কাজ হারাচ্ছেন। অনেকেই দেশে ফিরে আসছেন। তারা আমার দেশের নাগরিক। তারা কোথাও কষ্ট করুক তা আমরা চাই না। তারা ফিরে আসতে চাইলে ফিরে আসুক। কিন্তু এখানে এসে তারা যেন কিছু কাজ করে খেতে পারেন, তাদের কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে সেই ব্যবস্থা করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী পল্লী সংস্থান ব্যাংকের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচনের জন্য আমরা ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সেখানেও আমরা একটা ব্যাংক তৈরি করে দিয়েছি। এটা (কার্যক্রম) প্রকল্পের মাধ্যমে চলছে। আর ভবিষ্যতে যাতে প্রকল্পে না চলে, যারা এখানে সমিতি বা সমবায় করবে। আর সমবায় করে নিজের ব্যবসা নিজে চালাতে পারবে। প্রকল্প থেকে তারা ধীরে ধীরে নিজের পায়ে দাঁড়াবে। তাদের সঞ্চয় ব্যাংকে থাকবে। ব্যাংকের মালিক তারা ওখান থেকে ঋণ নিয়ে তারা ব্যবসাবাণিজ্য করবে। সেকথা চিন্তা করেই আমরা এই ব্যাংকটা করেছি।

Related posts

গাজীপুরে নতুন করে আরো ৬৪ জন করোনায় আক্রা’ন্ত

কুমিল্লায় করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১১৬

 আগামী শনিবার থেকে সারা দেশে ২৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ