22 C
Bangladesh
December 3, 2022
খেলাধুলা

‘হিরো হওয়ার সুযোগ জীবনে একবারই পাওয়া যায়’

দ্বিতীয় ইনিংসের ১৭তম ওভার পর্যন্ত মনে হচ্ছিল ম্যাচটি জিততে যাচ্ছে ফরচুন বরিশাল। কিন্তু ১৮তম ওভার করতে এসে পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন সুনীল নারাইন। এর পরের দুই ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান ও শহিদুল ইসলামের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তৃতীয়বারের মতো বিপিএলের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

এদিকে, এবারের বিপিএলে নিজেকে প্রমাণ করেছেন শহীদুল ইসলাম। দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেরেছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে হাজির হন এই তারকা ক্রিকেটার। তাকে প্রশ্ন করা হয়। বিপিএলে দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন হলেন। কতোটা আনন্দিত?

শহীদুল ইসলাম: আলহামদুলিল্লাহ ভালো লাগছে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনুভূতিটা তো অন্যকরম। আমি নিজে বেশ খুশি। কুমিল্লায় খেলার ইচ্ছে ছিল। ড্রাফট থেকে তারা আমাকে নেয়। তাদের শিরোপা দিতে পেরেছি এজন্য ভালো লাগছে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার খুশিটা তাই বেশি।

আপনি শেষ মুহূর্তে গিয়ে কুমিল্লার নায়ক হয়েছেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৬ বলে ১০ রান নেওয়া কোনো ব্যাপারই না। অথচ এই রানটাও হতে দেননি আপনি। কোন পরিকল্পনায় এগিয়েছিলেন?

শহীদুল ইসলাম: শেষ ওভারের আগে ম্যাচের পরিকল্পনা নিয়ে বলতে চাই। ফাইনালের পরিকল্পনার শুরুতেই কোচ আমাদের বলেছিলেন যেই দল স্নায়ু স্থির রাখতে পারবে তারা জিতবে। আমার তার কথাটাই বারবার মনে পড়ছিল। সত্যিই তাই। ফাইনালে স্নায়ু স্থির রাখাতেই আমরা জিতেছি। সাকিব ভাইও প্রেজেস্টেশনে একই কথা বলেছেন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিজেদের মৌলিক কাজগুলো ঠিকমতো করবো। ভুল কম করবো। তাহলেই হবে। শেষটা যে ভালো করবে তাদেরই সফল হওয়ার সুযোগ বেশি থাকবে। ওভাবেই সবাই চেষ্টা করেছি। যা হবে সেটা নিয়েই লড়াই করতে হবে।

শেষ ওভারের পরিকল্পনা নিয়ে বললেন না…
শহীদুল ইসলাম: জিততে হলে আমাকে ১০ রান ডিফেন্ড করতে হবে এটা আমার জানা ছিল। আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রথম বল। প্রথম বলটায় যেন বাউন্ডারি না হয় সেটা আমার পরিকল্পনাতেই ছিল। যদি হয় তাহলে এগিয়ে যাবে। আত্মবিশ্বাস পেয়ে যাবে। এজন্য ওই বলটা আমি পুরো মনোযোগ দিয়ে করেছি। প্রথম বল ডট হওয়ার পর বুঝেছি ম্যাচটা আমার। এরপর প্রত্যেকটি বল নিয়ে আলাদা আলাদা করে ভেবেছি যেন বাউন্ডারি না হয়।

ইমরুল কায়েস নাকি বলেছিলেন, ‘হিরো হওয়ার সুযোগ একবারই পাওয়া যায়। আজকে তোর দিন…।’
শহীদুল ইসলাম: হ্যাঁ, উনি আমাকে শেষ ওভারে খুব সাহায্য করেছেন। মানসিকভাবে সাহায্য করেছেন। খুব ভালো অধিনায়ক তিনি। একটা কথাই বলেছিলেন, মনে যেটা আসবে সেটা করবি। অন্য কিছু চিন্তার দরকার নেই। ইয়র্কার করলে ইয়র্কার, ওয়াইড করলে ওয়াইড। দুই রকম চিন্তার দরকার নেই।

আরো পড়ুন

বিসিবির দেওয়া তিন কোটি পুরস্কারের অর্থ থেকে মোশারফ রুবেলের পরিবারকে টাকা দেবে ক্রিকেটাররা।

Shohag

রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিজ হাতে রোজাদার ব্যক্তিদের ইফতারি খাওয়ালেন বাবর আজম

Shohag

ওপেনিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে আমি দারুণ খুশি হয়েছিলাম : সুনীল নারিন

Shohag